বাংলাদেশি তরুণ ফুটবলার কিউবা মিচেল আবারও ইংল্যান্ডের ফুটবল চত্বরে ফিরে এসেছেন। গত বছর বড় আশা নিয়ে তিন বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবেশ এবং সম্প্রদায়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারায় মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই সেখানে থেকে বিদায় নিয়েছেন। এই ২০ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ৩ জানুয়ারি পারস্পরিক আলোচনার
বাংলাদেশি তরুণ ফুটবলার কিউবা মিচেল আবারও ইংল্যান্ডের ফুটবল চত্বরে ফিরে এসেছেন। গত বছর বড় আশা নিয়ে তিন বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবেশ এবং সম্প্রদায়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারায় মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই সেখানে থেকে বিদায় নিয়েছেন। এই ২০ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ৩ জানুয়ারি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বসুন্ধরার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেন। এরপরই তিনি ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান এবং সম্প্রতি দেশের সপ্তম স্তরের ফুটবল দল গ্লুস্টার সিটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
সান্ডারল্যান্ড ও বার্মিংহামের মতো নামকরা ক্লাবের বয়সভিত্তিক একাডেমি থেকে উঠে আসা কিউবা মিচেল তাঁর এই নতুন পদক্ষেপকে ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ মনে করছেন। গ্লুস্টার সিটিতে যোগ দিয়ে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং দলের সফলতায় অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। বর্তমানে গ্লুস্টার সিটি দক্ষিণ প্রিমিয়ার লীগের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এবং পরবর্তী ধাপে উন্নীত হওয়ার জন্য শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। কিউবা মনে করেন, তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মৌসুমের অবশিষ্ট অংশে দলটির লক্ষ্য সফল করতে সহায়তা করতে পারবেন।
বাংলাদেশে কাটানো সময়টি কিউবা মিচেলের ক্যারিয়ারে একটি বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে। এখানেই তিনি প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষ লিগে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং জাতীয় দলে অভিষেকের সুযোগ পান। গত নভেম্বরে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের জার্সিতে তাঁর অভিষেক হয়। এ ছাড়া ভারতের বিপক্ষে জয়ও ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা ছিল দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়। কিউবা জানিয়েছেন, জাতীয় দলে খেলা এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা তাঁকে মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। এটা তাঁর ইংল্যান্ডের ফুটবলে নিজেকে আরও উন্নত করে তুলতে খুব সহায়ক হবে। সবমিলিয়ে, নতুন এই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে তিনি আবারও বিলেতের মাঠে নিজের মেধা প্রমাণ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।











