টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ইংল্যান্ড দেখিয়েছে অসাধারণ পারফরমেন্স এবং জয়ের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আজকের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে ২ উইকেটে পরাজিত করে সেমিফাইনালের টিকিট নিজের করে নেয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৪ রানের সংগ্রহ গড়ে তোলে। এরপর, ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয় দেখা দিলেও, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ইংল্যান্ড দেখিয়েছে অসাধারণ পারফরমেন্স এবং জয়ের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আজকের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে ২ উইকেটে পরাজিত করে সেমিফাইনালের টিকিট নিজের করে নেয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৪ রানের সংগ্রহ গড়ে তোলে। এরপর, ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয় দেখা দিলেও, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের অভূতপূর্ব ১৪৬ রানের দারুণ সেঞ্চুরি দলের জয় নিশ্চিত করে। ব্রুকের এই দুর্দান্ত ইনিংসের উপর ভর করে ৫ বল হাতে রেখেই ইংল্যান্ড লক্ষ্য অর্জন করে, এবং সেই সঙ্গে পুরোপুরি নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে তার θέση। এই জয়ে ইংল্যান্ড দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলের ফলে তাদের জন্য এখন টুর্নামেন্টের শেষ চারে পৌঁছানো কোনও ব্যাপারই রোধ করতে পারছে না।
মৌলিক ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল চরম হতাশাজনক। পাওয়ার প্লে-তেই শীর্ষ অনুমানের তিন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে তারা বিপদে পড়ে। ফিল সল্টের শূন্য, জস বাটলারের ৩ এবং জ্যাকব বেথেল এর মাত্র ৮ রানে ফিরে যাওয়া দলের জন্য সংকট বাড়ায়। পরবর্তী সময়ে টম ব্যান্টনের ২ রান এবং দলের ইনিংসের অবশিষ্ট অংশে ইংল্যান্ডের বিপদ আরও বেড়ে যায়। তবে এক প্রান্ত ধরে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। তিনি স্যাম কারান (১৬) এবং উইল জ্যাকস (২৮) সহকারে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ব্রুকের ব্যাটে ৫০ বলে টানা ১৪৬ রান করে দলের জন্য জয়ের পথ প্রশস্ত করেন। যদিও জয় নিশ্চিতের আগেই ১০০ রানে আউট হয়ে যান, তার এই অবিচ্ছিন্ন ইনিংসই ইংল্যান্ডের জয়ের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
অপরদিকে, পাকিস্তান টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিতেই শুরুতে তারা অপ্রত্যাশিত ব্যর্থতা দেখায়। ওপেনার সাইম আইয়ুবের ৭ ও অধিনায়ক সালমান আলি আগার ৫ রানে ফিরে যাওয়ার পরই দল চাপের মধ্যে পড়ে। এরপর, সাহিবজাদা ফারহান এবং বাবর আজম মিলে ইনিংসটি কিছুটা মোকাবিলা করার চেষ্টা করেন। বাবর ২৪ বলে ২৫ রানে আউট হলেও, ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলে পাকিস্তানের স্কোরকে সম্মানজনক পর্যায়ে রাখেন। ফখর জামান ১৬ বলে ২৫ এবং শরিফ খান ২৩ রানে অবদান রাখায় পাকিস্তান ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। ইংলিশ বোলারদের মধ্যে লিয়াম ডুসন তিনটি উইকেট নেন, এছাড়াও জোফরা আর্চার ও জেমি ওভারটন দুটি করে উইকেট নেন।
এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ডের জন্য গ্রুপের সেমিফাইনাল পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে গেছে। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা শীর্ষে অবস্থান করছে, ফলে কোনো দলই তাদের আটকাতে পারবে না। অন্যদিকে, পাকিস্তান দুই ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট পেয়ে শেষ ম্যাচ জিতলেও সর্বোচ্চ ৩ পয়েন্ট অর্জন করতে পারবে। নিউজিল্যান্ডের এক পয়েন্ট ও শ্রীলঙ্কার শূন্য পয়েন্ট থাকায় তাদের জন্য টপকানোর সম্ভাবনাও ক্ষীণ। ফলে, টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে ইংল্যান্ড নিশ্চিতভাবে শেষ চারে প্রবেশ করে, দাগ কাটে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।











