চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজের কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যার ফলস্বরূপ একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন দগ্ধ হয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে একজন মারা যান বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে। তিনি
চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজের কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যার ফলস্বরূপ একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন দগ্ধ হয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে একজন মারা যান বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে। তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন সেখানেই। এর আগে, তার স্ত্রী নুরজাহান আকতার রানী, ছেলে শাওন, ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি মারা গেছেন। সার্জনরা জানিয়েছেন, সাখাওয়াতের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। অন্যদিকে, তার সন্তানদের মধ্যে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮%, ভাইয়ের মেয়ে আয়েশা ৪৫%, ভাইয়ের ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস ৩০% এবং শিপন ৮০% দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত সোমবার ভোরে হালিশহরের বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্বজনরা সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। এই ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। তারা আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃতি এবং কারণ নিশ্চিত হওয়া জন্য তদন্ত শেষ করতে হবে।











