রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যখাতের পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক ও স্বাগতপূর্ণ পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন এমপি মো. রায়হান
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যখাতের পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক ও স্বাগতপূর্ণ পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন এমপি মো. রায়হান সিরাজী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গাচড়া উপজেলা আমীর মাও. নায়েবুজ্জামান, উপজেলা নায়েবে আমীর মো. তাজ উদ্দিন, উপজেলা sekerাটারি মাও. সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্যকর্মী ও নেতৃবৃন্দরা। এ ছাড়া, অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলেমুল বাসার, রেজানুল হাসান, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রায়হান সিরাজী বলেন, একটি হাসপাতাল শুধু চিকিৎসা দেওয়া জায়গা নয়, এটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্র। এখানে আসা রোগী ও তাঁর স্বজনদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবা মান আরও উন্নত করা সম্ভব। তিনি সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান যেন আমাদের স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ও পরিবেশের মান বজায় থাকে।
পরবর্তীতে, অতিথিরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, বারান্দা ও হাসপাতাল চারপাশ পরিদর্শন করেন। তাঁরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন ব্যবস্থা তদারকি করেন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার, আবর্জনা সরানো এবং রোগী ও স্বজনদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরণ করেন।
এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, জনসচেতনতা ও স্বাস্থ্যসেবা মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে ধারাবাহিকতা আনা হবে এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।











