বাবার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ দুই শিশুপুত্র

বাবার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ দুই শিশুপুত্র

কক্সবাজারের চকরিয়ায় তামাক খেত থেকে এক মাংস ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) রাতে উপজেলার কাকারা শাহ ওমর মাজার সংলগ্ন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো এলাকার একটি তামাক খেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা প্রথমে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নিহত আব্দুল

কক্সবাজারের চকরিয়ায় তামাক খেত থেকে এক মাংস ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) রাতে উপজেলার কাকারা শাহ ওমর মাজার সংলগ্ন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো এলাকার একটি তামাক খেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা প্রথমে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নিহত আব্দুল মজিদের পরিবারের লোকজন তাদের শোকে কাতর। সেই সময় তার দুই শিশু সন্তান—আট বছর বয়সী আব্দুর রহমান এবং ছয় বছর বয়সী মোহাম্মদ মাহিম চোখের জল মোছে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা কান্না জড়িত কণ্ঠে জানায়, “আমার বাবা ইফতার করার পর বের হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর খবর পেলাম, তাকে কেউ মেরে ফেলেছে।” শিশু মাহিম জানায়, “আমি জানি না কারা মেরেছে। যারা করেছে, তাদের শাস্তি চাই। আমার বাবা আমাদের নতুন কাপড় কিনে দিবে বলে বলেছিল, এখন তো তার কোনই ঠিকানা নেই। আর কোন পাৰে নতুন পোশাক!” তাদের চোখে অশ্রু ঝরতে দেখা যায়।

নিহত মাংস ব্যবসায়ী מুজিবুর রহমান (৪২) চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ফকির আহমদের ছেলে। তিনি পঞ্চমেয়ে ও দুই সন্তানের জনক। তার স্ত্রীর মন কাশি করতে থাকায় তিনি শোকে ভেঙে পড়েন। নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী আরিফ ইফতারের আগের দিন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তিনি বাড়ি ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে পড়েন, যারা তাকে মারধর করে তামাক খাওয়ানোর জন্য ফেলে যায়। তিনি বলেন, “আমি চাই, এই হায়নাদের শাস্তি হোক। এই সংসার চালাতে আমি খুব কষ্টে আছি, এখন আমি কী করে করব?”

অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম (২২), who is local resident, has been taken into custody by চকরিয়া থানার পুলিশ। তার মা, শারমিনা আক্তার (৪৮), দাবি করেন, “আমার ছেলে কিছুদিন ধরে তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই এলাকায় থাকছে। ঘটনা সময় আমি তাকে দেখছি, সে আমাদের মারধর করেছে বলে আমার সন্দেহ। আমি বলছি, আমার ছেলেকে যেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বাঁচানো হয়।”, অন্যদিকে, আহত মোজাম্মেল হক (৪৮) জানান, “আমরা এক দাওয়াতে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ করেই ১৫-২০ জন লোক এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায়। পরে আরিফ আমাকে মুক্ত করে দেয়। আমি বলতে পারব না ব্যাক্তিগতভাবে কারা করেছে, তবে নিশ্চিতভাবে বলছি, সত্য তদন্তে আসল অপরাধীরা দৃষ্টিগোচর হোক।”

অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন বলেন, “নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos