দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠনের দাবিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে। গত রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি, নবনির্বাচিত সরকারের অর্থমন্ত্রী এম এ মান্নানের কাছে সংগঠনের সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানিক একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। এই চিঠিতে উল্লেখ্য হয়
দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠনের দাবিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে। গত রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি, নবনির্বাচিত সরকারের অর্থমন্ত্রী এম এ মান্নানের কাছে সংগঠনের সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানিক একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। এই চিঠিতে উল্লেখ্য হয় যে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে পুঁজিবাজার উন্নয়নকে গুরুত্বপূর্ণ এলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। এটি দেখা যায় নির্বাচনের পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে, যখন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় ও লেনদেন বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। তবে সংগঠনটি জানায় যে, বর্তমান কমিশনের নেতৃত্বে বাজারে প্রত্যাশিত স্থিতিশীলতা ও আস্থা তৈরি হয়নি। তাদের মতে, ২০২৪ সালের পর গঠিত কমিশনের কার্যক্রমে আস্থার সংকট আরও গভীর হয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ যথাযথভাবে সুরক্ষিত হয়নি। বিএসইসি মনে করে, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থায় যোগ্য, অভিজ্ঞ ও সততার সাথে কাজ করা ব্যক্তিদের নিয়োগ ও পুনর্গঠন করা জরুরি। এতে স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব বাজার গড়ে তুলা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, একটি শক্তিশালী ও আধুনিক পুঁজিবাজার শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এই দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশন পুনর্গঠনের জন্য সরকারের সরাসরি উদ্যোগ নেওয়ার এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। সংস্থা আশা করছে যে, সরকারের সক্রিয় পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে আস্থা পুনরুদ্ধার হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা কাটিয়ে বাজার আবার নতুন গতি পাবে।











