ডিএসইতে সূচকের বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

ডিএসইতে সূচকের বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর পতন ঘটলেও, কিছু বড় কোম্পানির ইতিবাচক বোঝাপড়ার কারণে প্রধান সূচক সাময়িকভাবে কিছুটা বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর পতন ঘটলেও, কিছু বড় কোম্পানির ইতিবাচক বোঝাপড়ার কারণে প্রধান সূচক সাময়িকভাবে কিছুটা বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে, যার ফলে সব প্রধান সূচকই নিম্নমুখী। তবে সেখানে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে।

দিনভর ডিএসইয়ে লেনদেন শুরু হয়েই দরপতনের তালিকা বড় হয়ে যায়, ফলে সূচক ঋণাত্মক অবস্থানে চলে যায়। তবে কিছুকাল জন্য কিছু কোম্পানির দর বাড়লে সূচক কিছুটা ইতিবাচক হলেও, দিনের শেষ সময়ে আবার দর কমার চাপ আরো বেশি হয়। তবুও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার ফলে দিনের শেষে সূচক সামান্য উত্থান নিয়ে লেনদেন শেষ হয়।

এই দিনে ডিএসইয়ে মোট ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, যেখানে ১৯৪টির দর কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী ৬১টি কোম্পানির দর বেড়েছে, ৯৯টি কমেছে এবং ৪০টি অপরিবর্তিত। অন্যদিকে, ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া মাঝারি মানের ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টি দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত।

‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টি দর কমেছে এবং ২০টি স্থির রয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৭টি দর কমেছে, এবং ২০টি অপরিবর্তিত।

সর্বমোট, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বাড়ে ২ হাজার ১০৪ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ০.৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

লেনদেনের মোট পরিমাণ ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। শীর্ষ লেনদেনের দেশ হিসেবে দাঁড়িয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, যার লেনদেন ২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা, এবং তৃতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক, যেখানে ২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএএসপিআই সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমে গেছে। সেখানে ১৫০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির দর কমেছে এবং ১৩টির দর অপরিবর্তিত। লেনদেনের মোট পরিমাণ হয়েছে ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos