ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার আশা করছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফুটবল থেকে অবসর নিতে পারেন। ৩৪ বছর বয়সে এখনো তিনি পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে চোটের সঙ্গে লড়াই করে হাঁপিয়ে উঠেছেন। তার কাছে এবার মূল প্রেরণা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলা। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেওয়া নেইমারকে চলতি বছরই এক গুরুতর হাঁটুর চোটে পড়তে হয়। এ চোটের জন্য
ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার আশা করছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফুটবল থেকে অবসর নিতে পারেন। ৩৪ বছর বয়সে এখনো তিনি পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে চোটের সঙ্গে লড়াই করে হাঁপিয়ে উঠেছেন। তার কাছে এবার মূল প্রেরণা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলা।
১৯৮৯ সালে জন্ম নেওয়া নেইমারকে চলতি বছরই এক গুরুতর হাঁটুর চোটে পড়তে হয়। এ চোটের জন্য প্রায় এক বছর তিনি মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হন। এর ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে একাধিক চোটের সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা তার জন্য খেলার পথে আরও বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।
এক সাক্ষাৎকারে নেইমার জানান, ‘ভবিষ্যৎ কি আসে, তা আমি জানি না। সম্ভবত ডিসেম্বরের মধ্যে আমি অবসর নিতে চাই। আমি এই বছরটিকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি কারণ এটি আমার জন্য সান্তোসের জন্য, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের জার্সি পরেননি তিনি। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে এসেও দ্রুত মাঠে ফেরার জন্য তাড়াহুড়ো করেননি। তিনি বলেন, ‘এই মৌসুমে শতভাগ ফিট হয়ে ফিরতে চেয়েছিলাম, তবে কিছু ম্যাচে বিশ্রাম নিতে হয়েছে। সব কিছু আমি সহজে বুঝতে পারি না, কিন্তু সান্তোস এ ব্যাপারে খুব পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে। শক্তিশালী হয়ে মাঠে ফিরে আমি খুবই খুশি এবং স্বস্তি অনুভব করছি।’
নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করেছেন। তবে এখনো তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে শতভাগ ফিট হয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্লেবারসন মনে করেন, নেইমারকে এই বিশ্বকাপে দেখা খুবই প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘ফিটনেসে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও তার প্রতিভা অসাধারণ। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর সে তার ক্ষমতা göstাতে পারবে। ব্রাজিলে অনেক ভালো খেলোয়াড় রয়েছে, কিন্তু নেইমারের মতো জাদুকরী ব্যক্তিত্ব আর দেখা যায় না।’
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল সি গ্রুপে খেলবে। তারা গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচটি খেলবে ১৩ জুন মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে। এরপর তারা হাইতি ও স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। মূলত, বিশ্বকাপের সফলতার পরই নাকি না-ইমার তার ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।











