নাইজেরিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত অন্তত ৫০

নাইজেরিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত অন্তত ৫০

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ এক হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে জানা গেছে, এই ভয়ঙ্কর হামলায় শুধু প্রাণহানি ঘটেনি, বরং নারীদের ও শিশুদেরও অপহরণ করে নেওয়া হয়েছে বন্দুকধারীদের দ্বারা। সোমবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই প্রাণঘাতী আক্রমণ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জামফারা রাজ্যের বুক্কুয়ুম অঞ্চলের টুঙ্গান দুছে গ্রামে অব্যাহত ছিল।

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ এক হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে জানা গেছে, এই ভয়ঙ্কর হামলায় শুধু প্রাণহানি ঘটেনি, বরং নারীদের ও শিশুদেরও অপহরণ করে নেওয়া হয়েছে বন্দুকধারীদের দ্বারা। সোমবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই প্রাণঘাতী আক্রমণ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জামফারা রাজ্যের বুক্কুয়ুম অঞ্চলের টুঙ্গান দুছে গ্রামে অব্যাহত ছিল। শত শত মোটরসাইকেলে করে আসা অস্ত্রধারীরা গ্রামে প্রবেশ করে নির্বিচার গুলিবর্ষণ করে এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। স্থানীয় একজন আইনপ্রণেতা হামিসু এ ফারু নিশ্চিত করেছেন, হামলার ইতিহাসে এটি সুপরিকল্পিতভাবে চালানো এক ভয়ংকর অপকৌশল যা একের পরে এক গ্রামে আঘাত হানা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর গাফিলতিকে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার পেছনে দায়ী করেছেন। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, হামলার অন্তত একদিন আগে প্রায় ১৫০টির বেশি মোটরসাইকেল ও সশস্ত্র ব্যক্তিকে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরির দৃশ্য দেখা গিয়েছিল এবং এ ব্যাপারে আগাম সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যথেষ্ট প্রস্তুতি না থাকা ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে না পারায় এই বৃহৎ প্রাণহানি ঘটেছে। তিনটি পাশাপাশি নাইজেরিয়া ও এর আশপাশের অঞ্চলে মাত্র quelques বছর ধরে সশস্ত্র ডাকাত ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তৎপরতা ভয়ংকরভাবে বেড়েছে। এক সপ্তাহ আগে নাইজার অঙ্গরাজ্যেও পৃথক এক হামলায় আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়, যা দেশটির দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার চিত্রকে স্পষ্ট করে তোলে।

নাইজেরিয়ার এই দীর্ঘ প্রচণ্ড নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ১০০ মার্কিন সেনার একটি বিশেষ দল নাইজেরিয়ায় পৌঁছেছে বার্তা পরিষ্কার করার জন্য, তারা সরাসরি কোনো যুদ্ধের অংশ নেবে না; বরং স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে উন্নত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি এবং অত্যাধুনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে অপরাধী গোষ্ঠীর অবস্থান শনাক্ত করতে এই আন্তর্জাতিক সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, এই সহায়তা কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো সন্দেহের বদলে প্রশ্নের মুখে রয়েছে, কারণ বিশদ নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভয়াবহতা এখনও অনেকটাই উদ্বেগজনক।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos