মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর বর্তমানে আরোপিত শুল্কের ব্যবস্থা বহাল থাকলেও, দেশটির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাণিজ্য বিষয়ক এই কর্মকর্তা বলেন, শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকলেও, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক কাজ আরও সহজ করতে এই
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর বর্তমানে আরোপিত শুল্কের ব্যবস্থা বহাল থাকলেও, দেশটির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাণিজ্য বিষয়ক এই কর্মকর্তা বলেন, শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকলেও, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক কাজ আরও সহজ করতে এই পরিবর্তন আনতে চােয় সরকার। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, শুল্কের প্রক্রিয়াকে আরও সহজবোধ্য ও গতিশীল করে তোলা, যাতে ব্যবসায়ীরা দুরূহ দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় অনেকটা সময় ও জনবল নষ্ট না করে মূল ব্যবসা করতে পারেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বর্তমান শুল্ক সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করতে হচ্ছে এবং সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। মার্কিন সরকার চান না যে ব্যবসায়ীরা এই দাপ্তরিক কাজের কারণে তাদের মূল উৎপাদন ও বিক্রয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হোক। তাই এই শুল্ক প্রণয়নের প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও ব্যবসাবান্ধব করে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন বাণিজ্য সচিব এই শুল্কনীতিকে সফল বলেও মনে করেন। তিনি বলেন, এই কঠোর নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প নতুন করে জেগে উঠছে এবং অগ্রগতির পথে এগোচ্ছে। এভাবে, এই শুল্কের কারণে অন্য দেশগুলোও তাদের শুল্ক ও বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে, দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই উন্নতির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসন এই শুল্ক ব্যবস্থা চালু রাখার পক্ষে মত দিয়েছে।











