তরুণজনশক্তি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ: নজরুল ইসলাম খান

তরুণজনশক্তি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ: নজরুল ইসলাম খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে এত বড় তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে যা দেশের উন্নয়নের জন্য এক বিরাট সম্ভাবনা। তিনি বলেন, তরুণদের দক্ষতা, নৈতিকতা ও চিন্তাশক্তি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তখন আমরা মনে করতে পারবো যে, জনসংখ্যাকে সমস্যা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে এত বড় তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে যা দেশের উন্নয়নের জন্য এক বিরাট সম্ভাবনা। তিনি বলেন, তরুণদের দক্ষতা, নৈতিকতা ও চিন্তাশক্তি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তখন আমরা মনে করতে পারবো যে, জনসংখ্যাকে সমস্যা না ভেবে এটি যেন আমাদের অন্যতম সম্পদে পরিণত হয়েছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত নির্বাচনি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ভালো কিছু চাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় যা সম্ভব, সেটাই অর্জন করতে হবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, প্রতিষ্ঠানের ধ্বংস, দলীয়করণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাই একযোগে কাজ করতে হবে। তাঁর ভাষায়, আমরা অনেক ভালো চাই, আরও ভালো চাই – এটি স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা অনুযায়ী যা সম্ভব, সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা হতে হবে। সবাই সহযোগিতা দিয়ে এগিয়ে গেলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশার চাইতে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দলীয়করণ, আত্মীয়তাবাদ, দুর্নীতি, অনাচার ও অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

তরুণ সমাজের হতাশা নিয়ে তিনি বলেন, অনেকের মনে কষ্ট রয়েছে। তাদের আক্ষেপ দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একার পক্ষে এই সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সকলকে মিলেমিশে কাজের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করতে হবে।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, তিনি শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অনেক কষ্ট করেছেন এবং ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে প্রস্তুত। তিনি মনে করেন, যদি দেশ, সহকর্মী ও সন্তানরা সফল হয়, সেটাই তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই কাজ একদিনের নয়, তবে নিঃসন্দেহে তা এক অনিবার্য লক্ষ্য।

তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু স্বপ্ন দেখলে হবে না, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। খালি আক্ষেপ করে কিছু হবে না; প্রাপ্য অর্জনের জন্য একে অপরের সাথে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে সেই পথ তৈরি করতে হবে।

জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, আগে নেত্রীর দায়িত্বে ছিলেন খালেদা জিয়া, যিনি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর গোল্ড কাপ ঘোষণা করেছিলেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমান এই টুর্নামেন্ট পুনরায় চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তার চিন্তা প্রকাশ করেছেন এবং সেটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি পদক্ষেপ নেবেন।

পাঠ্যপুস্তকে কো-কারিকুলাম কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিতর্ক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও তিনি মত ব্যক্ত করেন, অর্থাৎ এটি সম্ভব এবং জাতীয়ভাবে বিতর্কের আয়োজন প্রয়োজন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos