যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্ক ব্যবস্থা সহজ করতে পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্ক ব্যবস্থা সহজ করতে পরিকল্পনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর আরোপিত শুল্কের পাশাপাশি, সরকারের তরফ থেকে এই শুল্কের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো আরও সহজ ও আধুনিক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকবে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে জানান, মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর আরোপিত শুল্কের পাশাপাশি, সরকারের তরফ থেকে এই শুল্কের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো আরও সহজ ও আধুনিক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকবে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে জানান, মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক কাজের জটিলতা কমানো এবং তাঁদের জন্য কাজের পরিবেশ আরও সুবিধাজনক করে তোলা। তিনি বলেন, এখনকার জটিল নিয়মকানুন অনুসরণ করতে গিয়ে অনেক উদ্যোগের জন্য অতিরিক্ত জনবল ও সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। মার্কিন সরকার চায় না যে, ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র দাপ্তরিক কাজেই লিপ্ত থাকুক, যাতে তাঁদের মূল ব্যবসা ও উৎপাদন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এজন্য শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিকে আরও সহজ ও দ্রুততর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও কার্যকারিতা বাড়াবে। এটি মার্কিন বাণিজ্য নীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সত্যতা নিশ্চিত করে গ্রিয়ার আরও জানান, এই কঠোর শুল্ক নীতির কারণে মার্কিন অভ্যন্তরীণ শিল্প বেশ সহায়তা পেয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখানো হয়েছে। এই শুল্কের ফলে অন্যান্য দেশও তাদের শুল্ক ও বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা তুলতে বাধ্য হয়েছে, যার ফলে মার্কিন রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগের পক্ষে তিনি মত ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা মোকাবিলার জন্য বিদেশী ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পরে এই ধাতুগুলো দিয়ে তৈরি অন্যান্য পণ্যের ওপরও শুল্ক বাড়ানো হয়। এর ফলে আমদানির কাঁচামালের উৎস নির্ণয় ও শুল্ক হিসাব জটিল হয়ে পড়ে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য নানা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে। এখন ওয়াশিংটন এই বিভিন্ন জটিলতা দূর করে একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা আনার পরিকল্পনা করছে। এই পরিবর্তনের বাস্তবায়ন হলে মার্কিনী উৎপাদনশীল শিল্পের দ্রুততা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos