ইরানের সঙ্গে বুদ্ধিমানের মনোপযোগে চুক্তির পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে বুদ্ধিমানের মনোপযোগে চুক্তির পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সতর্কবাদ দিয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, ইরানের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় যদি তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই মন্তব্য সেই সময় এলো যখন মার্কিন প্রশাসন বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর নিশ্চিত করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সতর্কবাদ দিয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, ইরানের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় যদি তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই মন্তব্য সেই সময় এলো যখন মার্কিন প্রশাসন বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সমাধানে কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বনের চেষ্টা করছেন। তবে তিনি এও জানান যে, ইরানের ওপর হামলার জন্য বেশ কিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।

মার্কিন নানা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের সঙ্গে গভীর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন және ইরানে আঘাত হানার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভাবছেন। সিবিএস নিউজের খবর অনুযায়ী, মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী শনিবারের মধ্যে ইরানের ওপর আঘাত হানার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি, আলোচনা চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, গত গ্রীষ্মে মার্কিন বাহিনী ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।

জেনেভায় দুটি দেশের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা কিছুটা অগ্রগতি হলেও, লেভিট জানান যে, গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যুতে দুই পক্ষ এখনও অনেক দূরে রয়েছে। ওয়াশিংটন আশা করছে, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান আরও বিস্তারিত প্রস্তাব উপস্থাপন করবে।

বিবিসি ভেরিফাই জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং কয়েক ডজন জেটসহ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন নামের বিমানবাহী রণতরি বর্তমানে ইরানের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এছাড়া, বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তি সরবরাহের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মোতায়েন শেষ হবে।

উত্তরে, ইরানও শক্তিশালী প্রদর্শনী করছে। ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ খনিজ তেল রুট হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মহড়া চালাচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক নতুন ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যায়, মার্কিন রণতরি ‘ফোর্ড’ সমুদ্রের তলদেশে ডুবে আছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই রণতরির বিপজ্জনক পরিস্থিতি ঠিকই, কিন্তু তার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হলো সে অস্ত্র যা এই রণতরিকে ডুবিয়ে দিতে পারে। খামেনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন পূর্বেই ফলাফল নির্ধারণের চেষ্টায় ব্যস্ত, যা তিনি এক ধরনের ‘বোকামি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos