মাইক্রোসফটের ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গ্লোবাল সাউথে এআই প্রমোশন

মাইক্রোসফটের ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গ্লোবাল সাউথে এআই প্রমোশন

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বিস্তারে বিশাল আকারে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, চলতি দশকের মধ্যে তারা উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে গঠিত গ্লোবাল সাউথের জন্য এআই খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন ও গবেষণায় মোট ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ করবে। গতকাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক উচ্চ

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বিস্তারে বিশাল আকারে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, চলতি দশকের মধ্যে তারা উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে গঠিত গ্লোবাল সাউথের জন্য এআই খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন ও গবেষণায় মোট ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ করবে। গতকাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক উচ্চ পর্যায়ের ‘এআই সামিট’–এ এ ঘোষণা দেওয়া হয়, যেখানে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি এবং বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানামরা উপস্থিত ছিলেন। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মাইক্রোসফটের এই বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা বিশ্বের সামনের দিকে নজর কেড়েছে।

মাইক্রোসফটের মতে, আধুনিক বিশ্বে এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা কেবল উন্নত দেশেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতেও পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে তারা গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে উন্নত ডেটা সেন্টার নির্মাণ, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় ভাষায় এআই মডেল তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ভারতকে এই কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে দেখা হয়েছে। মাইক্রোসফটের মন্তব্য অনুযায়ী, ভারতের বিশাল বাজার ও দক্ষ জনশক্তির কারণে দেশটি তাদের এআই বিস্তারের অন্যতম অংশীদার হবে। গত বছরও ভারতে তারা ১৭৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল, যা এই নতুন মহাপরিকল্পনার অংশ।

এই বৃহৎ বিনিয়োগের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেশি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাইক্রোসফট কেবল প্রযুক্তি সরবরাহেই নয়, বরং স্থানীয় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদেরও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করবে, যাতে তারা বৈশ্বিক বাজারে নিজস্ব অবস্থান শক্ত করতে পারে। এআই সামিটে অংশগ্রহণকারীরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন, মনে করছেন এটি বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই বিনিয়োগের কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে, বিশ্বজুড়ে একটি নতুন, ভারসাম্যপূর্ণ এআই ইকোসিস্টেম গড়ে ওঠার প্রত্যাশা করছে মাইক্রোসফট। মূল উদ্দেশ্য হলো বাজারে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া, এই আশ্বাসের মাধ্যমে তারা এ দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos