যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির শুল্ক বহাল রেখে প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির শুল্ক বহাল রেখে প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানি করার উপর বর্তমান শুল্ক ব্যবস্থা এখনও বহাল থাকলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কিছু প্রশাসনিক এবং দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনতে চাইছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে মঙ্গলবার দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, শুল্কের হার না কমিয়ে, মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক কাজকে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানি করার উপর বর্তমান শুল্ক ব্যবস্থা এখনও বহাল থাকলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কিছু প্রশাসনিক এবং দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনতে চাইছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে মঙ্গলবার দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, শুল্কের হার না কমিয়ে, মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক কাজকে সহজতর করা। এতে করে তাদের সময় এবং খরচ কমবে, এবং কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।

জেমিসন গ্রিয়ার উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বিদ্যমান শুল্ক সংক্রান্ত জটিল নিয়মাবলী পালন করতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান বেশি জনবল নিয়োগ করে এবং বেশি সময় ব্যয় করছে। মার্কিন সরকার চান না যে ব্যবসায়ীরা কেবল দাপ্তরিক কাজের পেছনে এতটাই ব্যস্ত থাকুন যে মূল ব্যবসা বা উৎপাদন পিছিয়ে পড়তে থাকবে। এজন্য তারা শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে কিছু সংস্কার সম্ভবনার কথা ভাবছেন, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন।

বাণিজ্য প্রতিনিধি এই শুল্ক নীতিকে সফল বলে গণ্য করেছেন। তিনি বলেন, এই কঠোর পদক্ষেপের ফলস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ খাত নতুন করে উদ্ভিৎ হয়েছে এবং আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে। এ ছাড়াও, শুল্ক আরোপের কারণে অন্যান্য দেশও তাদের শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা কমাতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই সফলতার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমান শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে চেয়ে সম্মত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর বিশ্ববাজারে চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা মোকাবিলা এবং মার্কিন শিল্প রক্ষা করতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। এরপর এই ধাতুগুলো দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ফিনিশড পণ্যের ওপরও শুল্কের পরিমাণ বাড়ানো হয়। এর ফলে, আমদানিকৃত পণ্যের উৎস ও পরিমাণ নির্ণয় এবং শুল্ক হিসাবের কাজ জটিল এবং ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়াশিংটন এখন মূলত এই জটিলতা কাটিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নতুন পরিবর্তন আনতে চাইছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন হলে মার্কিন উৎপাদনশীল খাতে আমদানির গতিপথ ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos