আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী হওয়ায় ফেনীতে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস

আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী হওয়ায় ফেনীতে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস

অর্ধশতকের বেশি সময় ধরে ফেনী জেলা থেকে কেউ মন্ত্রী হয়নি—এমন এক দাগনভূঞার নিজ জন্মস্থানে এটা যেন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। খালেদা জিয়ার জাতীয় সংসদে দীর্ঘ দিন সংসদ সদস্য থাকলেও, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়া কেউ একবারও মন্ত্রী হয়নি ফেনী থেকে। কিন্তু এবার সেই খরা কাটল। গত মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রী পরিষদের

অর্ধশতকের বেশি সময় ধরে ফেনী জেলা থেকে কেউ মন্ত্রী হয়নি—এমন এক দাগনভূঞার নিজ জন্মস্থানে এটা যেন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। খালেদা জিয়ার জাতীয় সংসদে দীর্ঘ দিন সংসদ সদস্য থাকলেও, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়া কেউ একবারও মন্ত্রী হয়নি ফেনী থেকে। কিন্তু এবার সেই খরা কাটল। গত মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রী পরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ফেনী-৩ (সোনাগাজী, দাগনভূঞা) আসনের সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই মাহেন্দ্রক্ষণে, তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে—নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

আবদুল আউয়াল মিন্টুর মন্ত্রীত্বের খবর শুনে তার জন্মস্থান দাগনভূঞা উপজেলায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন স্থান, যেমন দাগনভূঞা সদর, বেকের বাজার এলাকাসহ সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। নেতা-কর্মীরা নানা স্লোগানে একে অন্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, মিন্টুর এই সফলতা এলাকার জন্য গর্বের বিষয়, যা সেই area’s উন্নয়নে নতুন আশার সংকেত।

ফেনী-৩ আসনের উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল নেতারা বলেন, ‘আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন অভিজ্ঞ নেতা। তাঁর মন্ত্রীত্ব আমাদের জন্য গৌরবের ও আনন্দের। আমরা বিশ্বাস করছি, তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দাগনভূঞা, সোনাগাজীসহ সারাদেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।’

সূত্রের খবর, আবদুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক আনুমানিক ১০৮ হাজার ১৬০ ভোট পান। এই নির্বাচনে মিন্টুর জয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং তার জন্য অনেকের আশা ও প্রত্যাশা বেড়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos