টি-টোয়েন্টিতে ভুল করলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন: রশিদ খান

টি-টোয়েন্টিতে ভুল করলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন: রশিদ খান

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান অনেকটা নীরব অবস্থানে থেকে বিদায় নিল। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট দলটি এই আসরে শুরুতেই বড় বিপদে পড়ে যায়। টুর্নামেন্টের ‘গ্রুপ অব ডেথ’ হিসেবে পরিচিত ঘুরে বেড়ানোর সময়, প্রথম দুই ম্যাচেই নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হয় আফগানিস্তানকে। ফলে পরের ম্যাচগুলো কেবল নিয়মের খাতিরে খেলা হয়, এবং

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান অনেকটা নীরব অবস্থানে থেকে বিদায় নিল। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট দলটি এই আসরে শুরুতেই বড় বিপদে পড়ে যায়। টুর্নামেন্টের ‘গ্রুপ অব ডেথ’ হিসেবে পরিচিত ঘুরে বেড়ানোর সময়, প্রথম দুই ম্যাচেই নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হয় আফগানিস্তানকে। ফলে পরের ম্যাচগুলো কেবল নিয়মের খাতিরে খেলা হয়, এবং তাদের জন্য কোনটাই ছিল একরকম আনুষ্ঠানিকতা। বিশেষ করে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি সুপার ওভার পর্যন্ত লড়াই করার পরও হার মানে তাদের। এই অকাল বিদায়কে তারা দুর্ভাগ্যজনক বললেও, অধিনায়ক রশিদ খান বলেছেন, এর থেকে শেখার অনেক কিছু আছে।

রশিদ খান মনে করেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভুলের জায়গা কম। কারণ, বড় দলের বিপক্ষে একটি ছোট ভুলও পুরো ম্যাচের চেহারা বদলে দিতে পারে। একমাত্র ভুলের জন্য পথ হারাতে পারে খেলোয়াড়েরা, এবং পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকেনা। তিনি জানান, মাত্র চার দিনের মধ্যে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলাটা একজনের জন্য কঠিন শারীরিক ও মানসিক চাপ ছিল। সূচির এই চাপে খেলায় ছোট ছোট ভুলগুলোই অবশেষে তাদের বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। তবে, এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রশিদ।

এছাড়া, এই অকাল বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বড় অধ্যায়ের সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। আফগান দলের প্রধান কোচ জনাথন ট্রট এখন দায়িত্ব ছেড়ে যাচ্ছেন। রশিদ খানের নেতৃত্বে আফগান ক্রিকেট দলের সফলতা যেমন ছিল, তার পেছনে ট্রটের অবদান অপরিসীম। কোচের বিদায়ে রশিদ অনুভব করেন, ট্রট কেবল মাঠের কৌশল নয়, বরং মানসিক দৃঢ়তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ট্রটের এই প্রস্থান সংবলিত হয়ে আফগান ডাগআউটে তৈরি হবে বড় এক শূন্যতা। মোস্তাকিলভাবে সেই শূন্যতা পূরণের দায়িত্ব রশিদ ও দলের জন্য дара হয়ে এসেছে।

বিশ্বকাপের এই ব্যর্থতা যদিও রশিদ খানের দায়িত্বে কোনো কমতি আনতে পারেনি। বরং এখন তার উপর অনেক নতুন দায়িত্ব এসে পড়েছে। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, তরুণ ক্রিকেটারদের গালিগালাজ ও উৎসাহ দেওয়া, আর বড় মঞ্চে স্নায়ু ধরে রাখা এখন তার মূল চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য আফগানিস্তান এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছে। নেতৃত্বের পরীক্ষা, চাপ সামলানো ও দলকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই বিদায় যে কঠিন হয়তো, তবে রশিদ এবং তার দলের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা, যা ভবিষ্যতের জন্য নতুন দিক দেখাতে পারে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos