৫ গোল, এক লাল কার্ডের ম্যাচে জিতল পিএসজি

৫ গোল, এক লাল কার্ডের ম্যাচে জিতল পিএসজি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ নকআউট পর্বের প্রথম লেগে এক অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। মঙ্গলবার রাতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল স্বদেশি ক্লাব এএস মোনাকো। ম্যাচের শুরুতেই পিএসজি বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে পড়ে, প্রথমার্ধে দুই গোল হজম করে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দুর্বার হয়ে যায়। তবে সব ম্যাচে যেমন হয়, শেষমেষ জয় পায় পিএসজি। এই

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ নকআউট পর্বের প্রথম লেগে এক অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। মঙ্গলবার রাতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল স্বদেশি ক্লাব এএস মোনাকো। ম্যাচের শুরুতেই পিএসজি বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে পড়ে, প্রথমার্ধে দুই গোল হজম করে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দুর্বার হয়ে যায়। তবে সব ম্যাচে যেমন হয়, শেষমেষ জয় পায় পিএসজি। এই ম্যাচের উল্লেখযোগ্য নায়ক ছিলেন ২০ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে, যিনি বদলি হিসেবে নেমে জোড়া গোল করে দলের ভাগ্য বদলে দেন। এই জয়ে আগামী সপ্তাহে নিজেদের মাঠে ফিরে আসার আগে তারা এক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পায়।

ম্যাচের প্রথম অংশে পিএসজির জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি। খেলার মাত্র ৫৫ সেকেন্ডের মধ্যেই মাঝমাঠে ভুলের কারণে বল পেয়ে যান আলেকজান্ডার গোলোভিন, সেই বল থেকে চমৎকার এক ক্রস বাড়ান তিনি, যা থেকে প্রথম গোলটি করেন ফোলারিন বালোগুন। এরপর, ১৮ মিনিটে আবারও নিজেকে প্রমাণ করেন বালোগুন, নিজের দ্বিতীয় গোল করে মোনাকোকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এই সময়ের মধ্যে, পিএসজির বড্ড অগোছালো হয়ে পড়ে। উসমান দেম্বেলে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, যা দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

অতঃপর, পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন তরুণ স্ট্রাইকার দেজিরে দুয়ে। তাঁর দৃঢ়তা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে, ২৯ মিনিটে, তিনি এক দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর, ৪১ মিনিটে আশরাফ হাকিমি যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে গোল করে পিএসজিকে ২-২ সমতায় নিয়ে আসেন। প্রথমার্ধের নাটকীয়তায় খেলোয়াররা বিরতিতে যায় সমতাই থাকায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বড় বিপদে পড়ে পিএসজি যখন আলেকজান্ডার গোলোভিন লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ৪৮ মিনিটে, তাকে সতীর্থ ভিতিনিয়াকে ফাউল করার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। এ পরিস্থিতিতে, এক কম খেলোয়াড় নিয়েও খেলতে থাকা পিএসজি বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা ধারাবাহিক আক্রমণে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে যায়। সর্বশেষ, ৬৭ মিনিটে, ওয়ারেন জাইরে এমেরির পাস থেকে বল নিয়ে দেজিরে দুয়েয দ্বিতীয় গোলটি করেন, যা ম্যাচের চূড়ান্ত জয় নিশ্চিত করে।

ম্যাচজুড়ে, পিএসজির বল দখলের হার ছিল ৭৩ শতাংশ, এবং তারা ২৯টি শট নেন, যার মধ্যে ১২টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। বিপরীতে, মোনাকো ৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ৪টি ছিল বিপজ্জনক। এই জয়টি ছিল দলটির আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার জন্য বড় এক দিক। বিশেষ করে দেম্বেলের চোটের দিনে, দেজিরে দুয়ের পারফরম্যান্স কোচ লুইস এনরিকেকে খুবই স্বস্তি দেবে। এখন, যদি তারা ফিরতি লেগে এই লিড ধরে রাখতে পারে, তাহলে তারা সহজেই শেষ ষোলোয় উঠে যাবে। এই জয়ের মাধ্যমে পিএসজি আবারও তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্বপ্ন আঁকড়ে ধরেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos