প্রথমে খবর হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ সম্প্রতি দেশ ত্যাগ করেছেন। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি নেদারল্যান্ডের উদ্দেশে বাংলাদেশের আকাশপথে রওনা দেন। এর আগে তার পরিকল্পনা ছিল প্রথম জার্মানি যেতে, তবে পরে তিনি সরাসরি নেদারল্যান্ডে যান। ফয়েজ আহমদ ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। দেশ ছাড়ার আগের দিনগুলোতে তিনি
প্রথমে খবর হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ সম্প্রতি দেশ ত্যাগ করেছেন। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি নেদারল্যান্ডের উদ্দেশে বাংলাদেশের আকাশপথে রওনা দেন। এর আগে তার পরিকল্পনা ছিল প্রথম জার্মানি যেতে, তবে পরে তিনি সরাসরি নেদারল্যান্ডে যান। ফয়েজ আহমদ ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। দেশ ছাড়ার আগের দিনগুলোতে তিনি দেশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিদায় সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের কাছ থেকে শুভেচ্ছা উপহারও পান। জানানো হয়, তিনি নেদারল্যান্ডের নাগরিকত্ব পেয়েছেন, এর জন্য তার পাসপোর্ট আছে এবং সেটি ব্যবহার করে তিনি দেশের বাইরে যান। অতীতে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাকে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই দায়িত্বে থাকাকালে তিনি টেলিযোগাযোগ ও অনুজ্ঞান সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যা বেশ আলোচনা ও সমালোচনারও জন্ম দেয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারি ৮, ৯, ১০ তারিখে তিনি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন এবং নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন পরিচালনা ও তার জন্য তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন। বিদায় উপলক্ষে তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে একফাঁকে গাইবেন ও আনন্দের সঙ্গে বিদায় জানান। প্রবাসে যেতে প্রস্তুতির সময় তিনি বলেছেন, তার জন্য নতুন চাকরি খুঁজে নিতে হবে, কারণ দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে তিনি অর্থনৈতিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পরিবারের প্রয়োজনে তিনি এখন যথাযথভাবে ছুটি নিয়ে তাদের জন্য ফিরে যাচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘ সময় সন্তান ও পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকায় এখন সময় দিতে চান। তিনি জানিয়ে দেন, আজ ভ্যালেন্টাইন ডে এবং তার বেশ কিছু বই পত্রিকা ও উপহার বেশ কিছু নতুন বইও তিনি এনেছেন। এর পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময়ের ক্লান্তির জন্য বিশ্রাম নিতে চান। তিনি মনে করেন, তিনি তার কর্মজীবনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, বিশেষ করে একটি শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা চালু করার কাজে। কাজের ফল স্বরূপ তিনি বিশ্বাস করে বলতে পারেন, তিনি এক টাকা দুর্নীতি করেননি। নিজের সততা ও বাস্তবতা নিয়ে তিনি গর্বিত। তিনি বলেন, মোবাইল ব্যবসায়ীরা ও টেলিকমখাতে কিছু দুর্নীতিবাজের কুৎসা তাকে আঘাত করেছে, কিন্তু নিজের সততা ও ইমান রাখতে তিনি বিন্দু মাত্র সংকোচ বা আশা প্রকাশ করেন না। অবশেষে, তিনি আশা করছেন দ্রুত নতুন চাকরি পাবেন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন। তার জন্য দুর্বল প্রতিপক্ষ ও অপমানজনক পরিস্থিতি সামলে তিনি এখন জীবনের নতুনযাত্রায় ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। শেষ কথায় তিনি বলেন, তিনি সাধারণ একজন মানুষ, সৎ ও স্বচ্ছ থাকছেন, সবাই তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।











