সবার শপথ গ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে: প্রেস সচিব

সবার শপথ গ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে: প্রেস সচিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের সময়সূচি নিয়ে সরকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব বিজয়ী প্রার্থীর শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের সময়সূচি নিয়ে সরকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব বিজয়ী প্রার্থীর শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পর পরই এই শপথের মাধ্যমে দেশের নতুন সংসদ সদস্যদের আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

প্রেস সচিব বলেন, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন খুব দ্রুত এই শপথ গ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পালনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ হবে। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার সাংবিধানিক রীতি মেনে প্রশাসন ও সংসদ সচিবালয় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই শপথের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য গ্রহণ করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফলের পর, গত শুক্রবার রাতেই নির্বাচন কমিশন ২৯৭ জন বিজয়ীর নামের গেজেট প্রকাশ করে। প্রেস সচিবের ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যরা খুব দ্রুত, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে গিয়ে শপথ গ্রহণ করবেন। শপথ শেষে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন ও মন্ত্রিসভা গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে, যা দীর্ঘ এক বছর পরে দেশের শান্তিপূর্ণ সরকার প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেবে।

ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব আরও জানান, দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে, সরকার এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না। নির্বাচনের পর থেকে দেশের স্থিতিশীল পরিবেশ ও উৎসবমুখর আবহে এই শপথ অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এই সময়সূচি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos