আসন্ন গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সব শ্রেণি-পেশার ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জোর দিয়ে বলেছেন, নিজের ভোটাধিকার সচেতনভাবে ব্যবহারের আহ্বান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি), ‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা জানান। প্রফেসর ইউনূস বলেন, এই স্বাভাবিক গণভোট ও নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপুর্ণ এক
আসন্ন গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সব শ্রেণি-পেশার ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জোর দিয়ে বলেছেন, নিজের ভোটাধিকার সচেতনভাবে ব্যবহারের আহ্বান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি), ‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা জানান।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, এই স্বাভাবিক গণভোট ও নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপুর্ণ এক অধ্যায় শুরু হবে। এটি কেবল একটি নির্বাচন বা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ধারাগুলো ও জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে এই মুহূর্তে। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত জাতি বাংলাদেশের জনগণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারবেন।
প্রফেসর ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করবেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই মতামতের ভিত্তিতে যোগ্য ও দায়বদ্ধ প্রতিনিধিদের নির্বাচন করবেন। এতে করে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে অংশ নেবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এবার যে সংখ্যক তরুণ প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার ব্যবহার করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে যারা ভোট দিতে পারেননি তাঁদের জন্যও এটি একটি উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হওয়া উচিত। এ জন্য সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। এই লক্ষ্য পূরণে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
প্রফেসর ইউনূস আরো বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন প্রভাব বা চাপের বাইরে স্বচ্ছন্দভাবে ভোট দিতে পারে, সে জন্য প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, সেনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়বদ্ধভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ আমাদের দেশে শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।











