দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী উড়োজাহাজের জন্য ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় নির্ধারক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রবিবার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বর্তমানে লিটারপ্রতি ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারিত মূল্য থেকে ১৯ পয়সা বাড়িয়ে তা করা হয়েছে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। এই পরিবর্তনের ফলে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের দাম কিছুটা বেড়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী উড়োজাহাজের জন্য ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় নির্ধারক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রবিবার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বর্তমানে লিটারপ্রতি ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারিত মূল্য থেকে ১৯ পয়সা বাড়িয়ে তা করা হয়েছে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। এই পরিবর্তনের ফলে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক রুটের জন্য জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যেখানে পূর্বের মতোই লিটারপ্রতি ৬২ সেন্টের মূল্য নির্ধারিত রয়েছে।
বিইআরসির এই নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন মূল্য চালু হবে রবিবার রাত ১২ টা থেকে। যদিও মাত্র ১৯ পয়সা বাড়ানোর কারণে এই মূল্য বৃদ্ধি তেমন আঘাত না আনলেও, এভিয়েশন শিল্পের পরিচালন ব্যয়ের উপর সামান্য প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। অ্যারোস্পেস খাতের জন্য এই মূল্য পরিবর্তনের মূল কারণ হলো আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, যা মূল্য নির্ধারণের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া আরও কাঠামোবদ্ধ করে যুক্ত করা হয়, যেখানে আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) স্বাধীনভাবে মূল্য নির্ধারণ করত। এখন থেকে, বিইআরসি নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জেট ফুয়েলের দাম সংশোধন করে, যাতে বিশ্ববাজারের দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে এবং দাম কমলে গ্রাহকমাত্রের জন্য সুফল পাওয়া যায়। এই নিয়মিত সমন্বয় প্রক্রিয়া দেশের বিমান চলাচলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।











