চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত

চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ সময়কে লক্ষ্য করে পণ্য খালাস এবং সরবরাহের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ গত রবিবার দিবাগত গভীর রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এতে বলা হয়, আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ সময়কে লক্ষ্য করে পণ্য খালাস এবং সরবরাহের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ গত রবিবার দিবাগত গভীর রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এতে বলা হয়, আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘটের এই কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। মূলত দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা ও চলমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে বন্দরে অচলাবস্থা কেটেছে এবং বন্দরের কার্যক্রম পুনরূপে স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়ানোর জন্য এই কর্মসূচি শিথিল করা হয়েছে। তবে এই স্থগিতাদেশ চিরস্থায়ী নয়, বরং সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে রবিবার সকাল থেকে বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) সংলগ্ন দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা না দেওয়ার মূল দাবিতে এই ধর্মঘট শুরু হয়েছিল। তবে বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, চলমান অন্তর্বর্তী সরকারকালে এই টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই।

অভ্যন্তরীণ আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মচারীদের বেশির ভাগ দাবি মেনে নেওয়া হয়েই কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়ে নানা মত আছে। গ্রেফতার, হয়রানিমূলক বদলি ও সাময়িক বরখাস্তের মতো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। দীর্ঘ আলোচনার পর নির্বাচন ও রমজানের গুরুত্বের কথা konsiderate করে আন্দোলনকারীরা ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, যদি এই সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা বা হয়রানিমূলক শাস্তি প্রত্যাহার হয় না এবং পাঁচ দফা দাবিও পূরণ না হয়, তবে তারা ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আবার কঠোর আন্দোলনে ফিরে আসবেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচল হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন ও রমজানের মরসুমে ভোগ্যপণ্যের আমদানি চলাকালে যদি কার্যক্রম বন্ধ থাকত, তবে দেশের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ত। বর্তমানে এই স্থগিতাদেশের ফলে পণ্য খালাসের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে ওঠেছে। ভবিষ্যত পরিস্থিতি নির্ভর করছে, বন্দরের কার্যক্রম পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, এবং সরকারের ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কি ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয় এই বিষয়ে। তবে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে থাকলেও কোনো ধরনের নিপীড়ন বা হয়রানি মেনে নেবে না।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos