পুরান ঢাকার সমস্যা নিরসন ও আধুনিকায়নে ইশরাক হোসেনের অঙ্গীকার

পুরান ঢাকার সমস্যা নিরসন ও আধুনিকায়নে ইশরাক হোসেনের অঙ্গীকার

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকা-৬ আসনের জলাবদ্ধতা নিরসন, গ্যাসের সংকট দূরীকরণ এবং মাদক বন্ধে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার বলদা গার্ডেনে তার নির্বাচনী ক্যাম্প থেকে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তার পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকা-৬ আসনের জলাবদ্ধতা নিরসন, গ্যাসের সংকট দূরীকরণ এবং মাদক বন্ধে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার বলদা গার্ডেনে তার নির্বাচনী ক্যাম্প থেকে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তার পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি এলাকাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা সমাধানে তিনি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন। এই জনবহুল এলাকার অবকাঠামো ও নাগরিক সমস্যা সমাধানে তিনি প্রাধান্য দিবেন। তিনি বলেন, “পুরান ঢাকার হৃদয় হচ্ছে ঢাকা-৬ আসন। এখানে প্রাচীন অবকাঠামো এবং নাগরিক জীবনে নানা রকম সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে আমি এই সব সমস্যার সমাধান করতে চাই।”

সাক্ষাৎকারে তিনি বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে গ্যাস সংকটকে চিহ্নিত করেন এবং ৭০ বছরের পুরোনো গ্যাস পাইপলাইন মেরামতের মাধ্যমে গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেন। যানজটের দুর্ভোগ কমানোর জন্য তিনি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এর মধ্যে রয়েছে অন-রোড পার্কিং বন্ধ করা, ফুটপাথ দখলমুক্ত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় মেট্রোরেল বা সাবওয়ে চালুর দাবি জানান। বর্ষার আগে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি করে জলাবদ্ধতা দূর করার এবং পরিবেশ দূষণমুক্ত করার লক্ষ্য তাঁর। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে তিনি জানান, “নারী ও শিশুদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে। ব্যবসায়ীদের জন্য ন্যায্য পরিবেশ সৃষ্টি করে যেন তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালাতে পারে, সে বিষয়েও আমরা কাজ করব।”

রাজনৈতিক বিষয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “তিনি নির্দেশিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বেকারত্ব দূরীকরণে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন।” বিগত সরকারের ক্ষমতায় থাকা নেতাদের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, তারা জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেননি এবং এলাকার উন্নয়নে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করেননি। পারিবারিক ইতিহাসের কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগের সঙ্গে বলেন, “আমি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয়।” তাঁর পিতা, সাবেক ঢাকা মহানগর মেয়র সাদেক হোসেন খোকার স্মৃতিচারণ করে তিনি পুরান ঢাকাকে পুনরুজ্জীবিত করে এলাকার সমৃদ্ধি কায়েমে চলমান কাজের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সমাজের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos