সারাদেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাগুরায় এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলা প্রশাসন ও কর্মচারীরা এক সঙ্গে উপস্থিত হন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানানো। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের দ্রুত বেড়ে চলার কারণে কর্মচারীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টের জীবনযাপন করছেন। তারা অঙ্গীকার করেন,
সারাদেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাগুরায় এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলা প্রশাসন ও কর্মচারীরা এক সঙ্গে উপস্থিত হন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানানো। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের দ্রুত বেড়ে চলার কারণে কর্মচারীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টের জীবনযাপন করছেন। তারা অঙ্গীকার করেন, অবিলম্বে বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে, বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেলে গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি তাদের দাবি রয়েছে, ২০১৫ সালের পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করতে হবে, বেতন জ্যেষ্ঠতা রক্ষা করতে হবে, পেনশন চালু করতে হবে এবং গ্রাচুইটির হার ৯০ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, পে-কমিশন যে প্রস্তাব সরকারে পাঠিয়েছে, তা নির্বাচনের আগে গেজেট আকারে প্রকাশ ও কার্যকর করতে হবে। অন্যথায়, তারা কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মো. সাকির আহমেদ, অমৃত কুমার বিশ্বাস, মো. শফিকুল ইসলাম, যুধিষ্ঠির বিশ্বাস, মো. মাসুম রেজা ও মো. নবীর হোসেন। তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যদি নবম পে-স্কেল গেজেট জারি না হয়, তাহলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানববন্ধনে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অংশগ্রহণ করেন।











