রাজধানীতে চলমান অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ এর আওতায় গত একদিনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযান বিভিন্ন থানা এলাকাতেই পরিচালনা করা হয়েছে, যার মধ্যে গুলশান, সূত্রাপুর, মোহাম্মদপুর, খিলগাঁও, পল্টন, কলাবাগান, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও হাতিরঝিল থানা রয়েছে। প্রতিটি থানা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের
রাজধানীতে চলমান অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ এর আওতায় গত একদিনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযান বিভিন্ন থানা এলাকাতেই পরিচালনা করা হয়েছে, যার মধ্যে গুলশান, সূত্রাপুর, মোহাম্মদপুর, খিলগাঁও, পল্টন, কলাবাগান, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও হাতিরঝিল থানা রয়েছে। প্রতিটি থানা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কর্মকর্তারা।
গুলশান থানার অভিযানের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তার নাম মো. ইব্রাহিম। সূত্রাপুর থানায় চারজন, যারা রাব্বি হাসান, মাসুম ইফাদ, মুন শিকদার ও সাগর দে, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, সেখানে একজনের নাম কবির হোসেন ওরফে হুমায়ুন কবির ওরফে হুমা।
খিলগাঁও থানা থেকে তিনজন, তারা হলেন- ফজলে রাব্বী, সাইদুল ইসলাম ও মাহতিন ইসলাম শাকিল। পল্টন থানার অভিযানে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এরা হলো মো. বিল্লাল হোসেন, রকি মিয়া, ইয়াছিন মিয়া, মোহাম্মদ আলী ও ইসমাইল হোসেন। কলাবাগান থানায় একজন গ্রেপ্তার, তার নাম মো. সেলিম ওরফে রহিম।
যাত্রাবাড়ী থানায় সাতজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা হলেন গোলাম রাব্বি, নাসির খান ওরফে নাসির, সাজ্জাদ, মো. জালাল, হাসান আলী ওরফে আলম, রানা প্রধান ও রেনু বেগম। কদমতলী থানার অভিযানে তিনজন, তারা হলেন- মো. অভি, মো. সালেহ আহাম্মেদ ফয়সাল ও মো. রনি। এছাড়া হাতিরঝিল থানায় একজন গ্রেপ্তার, তার নাম হাসিব।
সর্বশেষ, সবাইকে আদালত Zuidত পাঠানো হয়েছে এ খবর নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের खिलाफ শ stricter ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।











