আজ খুলনা ও যশোরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

আজ খুলনা ও যশোরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সোমবার খুলনা এবং যশোরে দুটো গুরুত্বপূর্ণ সফর করবেন। এই দুটো জেলা দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের পরে তারেক রহমানের আগমনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভরে উঠেছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতেও এমন অভূতপূর্ব ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে, যে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা এবং আগ্রহের চর্চা চোখে পড়ছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সোমবার খুলনা এবং যশোরে দুটো গুরুত্বপূর্ণ সফর করবেন। এই দুটো জেলা দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের পরে তারেক রহমানের আগমনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভরে উঠেছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতেও এমন অভূতপূর্ব ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে, যে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা এবং আগ্রহের চর্চা চোখে পড়ছে। সকালে থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের কর্মী-সমর্থক জনসভা বা রোডশোতে অংশ নেওয়ার জন্য রওনা দিয়েছেন।

সফরের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ দুপুর ১২টায় খুলনার খালিশপুরস্থ প্রভাতী স্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। এই জনসভা পরিচালনা করছে খুলনা মহানগর এবং জেলা বিএনপি। দলের সূত্রে জানা গেছে, এই সমাবেশ থেকেই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ১৪টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচিতি ও সমর্থকরূপে তুলে ধরবেন তিনি। আশা করা হচ্ছে, এই বৃহৎ জনসমাবেশে খুলনা ছাড়াও পাশ্ববর্তী বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা থেকে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত থাকবেন।

তারেক রহমানের মূল বক্তব্যে থাকবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা। বিশেষ করে খুলনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলোর পুনরায় সচল করা, দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করা, সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন ইকোনমিক জোনের সৃষ্টি এবং উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের বিষয়গুলো তিনি স্পষ্ট করবেন। এই সব দাবি ও পরিকল্পনা আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

খুলনার জনসমাবেশ শেষে, তিনি দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টার যোগে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এরপর সরাসরি যশোর ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত সমাবেশে অংশ নেবেন। এই সমাবেশটি যশোরের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচী হিসেবে ধরা হচ্ছে। জেলা বিএনপি জানিয়েছে, সাধারণ জনগণের কোনও অসুবিধা না হয়, তাই এই খোলা মাঠে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এখানে বক্তৃতায় তিনি গুরুত্ব দেবেন সমস্ত অঞ্চলের উন্নয়ন, বিশেষ করে ‘ভবদহ’ জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, নড়াইল ও মাগুরার সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা ঘোষণার।

তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা ও যশোরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবচেয়ে কঠোরভাবে গড়ে তুলেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলও তৎপর রয়েছে বিশৃঙ্খলা এড়াতে। মাঠের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই সরাসরি উপস্থিতি এবং জনসমাগম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নির্বাচনি পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন করবে, বিশেষ করে ধানের শীষের সমর্থকদের উৎসাহ বাড়াবে। মঞ্চ বিন্যাস, সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, পুরো এলাকা নির্বাচনি স্লোগান ও তোরণে ভরে গেছে। দলীয় সূত্র জানায় যে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ বাংলার মানুষের মন জয় করা, যা আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos