দীর্ঘ ২২ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ সোমবার খুলনা মহানগরীর খালিশপুরস্থ প্রভাতী স্কুল মাঠে একটি বিশাল নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই ঐতিহাসিক সমাবেশটি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তার আগমনে পুরো খুলনা অঞ্চলে এক অনন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সকাল সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হেলিকপ্টারে করে সরাসরি জনসভাস্থলে পৌঁছান। তারেক
দীর্ঘ ২২ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ সোমবার খুলনা মহানগরীর খালিশপুরস্থ প্রভাতী স্কুল মাঠে একটি বিশাল নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই ঐতিহাসিক সমাবেশটি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তার আগমনে পুরো খুলনা অঞ্চলে এক অনন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সকাল সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হেলিকপ্টারে করে সরাসরি জনসভাস্থলে পৌঁছান। তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক করতালিতে তাঁকে দেখানোর জন্য গ্লোবাল অভিবাদন জানান। তিনি হাত নেড়ে সকলে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর জবাব দেন।
জনসভার মঞ্চে তারেক রহমানের সঙ্গে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মোট ১৪ জন ধানের শীষ প্রার্থীর এই সমাবেশে অংশ নেওয়া ছিল। এই মঞ্চ থেকেই তিনি এই তিন জেলার প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটারদের পরিচয় করিয়ে দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা থেকে আমীর এজাজ খান, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রকিবুল ইসলাম, এস কে আজিজুল বারী, মোহাম্মদ আলি আসগার ও এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। সাতক্ষীরা থেকে হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আব্দুর রউফ, কাজী আলাউদ্দীন ও মনিরুজ্জামান; আর বাগেরহাট থেকে কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, শেখ ফরিদুল ইসলাম ও সোমনাথ দে। এই তিন জেলার শীর্ষ প্রার্থীরা একত্র হয়েছে এক মঞ্চে, যা স্থানীয় নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজকের এই জনসভার আশেপাশে সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল খুলনায়। সকাল সাড়ে ৯টায় থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। বিভিন্ন ব্যান্ডের তালে তালে ‘ভোট দিও কিসে, ধানের শীষে’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে। সকাল ১১টায় পবিত্র কোরআন ও গীতাপাঠের মাধ্যমে এই সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য পেশ করেন। উল্লেখ্য, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালের ২৩ মার্চ খুলনা সফর করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পরে তার সরাসরি উপস্থিতি সাধারণ ভোটার ও দলের কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
খুলনা কর্মসূচি শেষে, দুপুর ১টার দিকে তিনি পুনরায় হেলিকপ্টারে করে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সেখানে নতুন উপশহর এলাকার বিরামপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অন্য একটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। বিকেলে সেই সভা শেষে তিনি আবার হেমন্তের আকাশপথে ঢাকায় ফিরে যাবেন। নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে তার এই সংক্ষিপ্ত সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নির্বাচনী পরিবেশে চরিত্র পরিবর্তন করবে বলে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করছেন। সব কিছু নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় এই গণসমাবেশের প্রতিটি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।











