সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের আধিপত্য দেখিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। আজ শনিবার নেপালের পোখরায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানকে ১২-০ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ঐতিহাসিক জয়ে দুই ফরোয়ার্ড মুনকি আক্তার ও তৃষ্ণা রানী জোড়া হ্যাটট্রিক করার পাশাপাশি দলের প্রতিটি খেলোয়াড় অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। ভুটানের রক্ষণভাগ এই ম্যাচে কিংবা কোথাওই দাঁড়াতেই
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের আধিপত্য দেখিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। আজ শনিবার নেপালের পোখরায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানকে ১২-০ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ঐতিহাসিক জয়ে দুই ফরোয়ার্ড মুনকি আক্তার ও তৃষ্ণা রানী জোড়া হ্যাটট্রিক করার পাশাপাশি দলের প্রতিটি খেলোয়াড় অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। ভুটানের রক্ষণভাগ এই ম্যাচে কিংবা কোথাওই দাঁড়াতেই পারেনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় বাংলাদেশের মেয়েরা গোলের জন্য অপেক্ষা করে, যা ২৮ মিনিটে এসে সত্য হয়। প্রথম গোলটি আসে কর্নার কিক থেকে, যেখানে মামনি চাকমা সরাসরি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন, যা ফুটবলের পরিভাষায় ‘অলিম্পিক গোল’ হিসেবে পরিচিত। এরপর ৪৩ মিনিটে তৃষ্ণা রানী ব্যবধান দ্বিগুণ করলে, তার পরের মিনিটেই মুনকি আক্তার একক প্রচেষ্টায় তৃতীয় গোলটি করেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মুনকি নিজের দ্বিতীয় গোলটি এবং দলের চতুর্থ গোল করে বিরতিতে যান, ফলে প্রথমার্ধের স্কোর ছিল ৪-০।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের আক্রমণের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। ৫৪ মিনিটে তৃষ্ণা রানী তার দ্বিতীয় গোল করেন, এরপর মাত্র ছয় মিনিট পর হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন গোলকিপারের উপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে। ৭৩ মিনিটে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে আলপি আক্তার গোল করেন। ৮১ মিনিটে মুনকি আক্তার তার হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে স্কোরলাইন ৮-০ করেন। খেলার শেষের দিকে ভুটানি ফুটবলাররা ক্লান্ত হয়ে পড়লে, বাংলাদেশী ফরোয়ার্ডরা গোলের সুযোগ নেন এবং ৮৬ মিনিটে আলপি আক্তার নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন।
নির্ধারিত সময়ের শেষে যোগ করা সময়ে আরও তিনটি গোল করে বাংলাদেশ। মুনকি আক্তার, আলপি আক্তার ও অর্পিতা বিশ্বাস গোল করেন। বিশেষ করে অর্পিতা দলের ১১তম গোলটি প্রদান করেন। শেষ মুহূর্তে আলপি আক্তার একটি গোল করে স্কোর ১২-০ করেন। এই জয়ে বাংলাদেশ দলের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক বেশি, যা পরবর্তী ম্যাচের জন্য বড় প্রেরণা। আগামী ২ জানুয়ারি তারা ভারতের সাথে মুখোমুখি হবে, যা টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল। আজকের এই বিশাল জয়ের মাধ্যমে তারা নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছে এবং পরবর্তী ম্যাচের জন্য বেশ অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।











