কক্সবাজারের টেকনাফে এক হৃদয়বিদারক পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে নামাজরত অবস্থায় শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা পূর্বপাড়া সংলগ্ন গুচ্ছ গ্রামে এই নির্মম ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মত অনুযায়ী,
কক্সবাজারের টেকনাফে এক হৃদয়বিদারক পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে নামাজরত অবস্থায় শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা পূর্বপাড়া সংলগ্ন গুচ্ছ গ্রামে এই নির্মম ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মত অনুযায়ী, কিছু দিন আগেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় ছেনুয়ারা বেগম (২১) তার বাবার বাড়িতে চলে যান। তবে এর কিছু দিন পর, তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন এবং পরিবারের সঙ্গে সাধারণ ভাবে মেশেন, কিন্তু আত্মনির্মিতভাবে তিনি প্রতিশোধের জন্য পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন।
শুক্রবার দুপুরে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা জীবিকার কারণে সাগরে মাছ ধরতে গেলে বাড়ির পরিবেশ একদম ফাঁকা হয়ে যায়। এই সুযোগে ছেনুয়ারা বেগম শাশুড়ি মনোয়ারা বেগমকে নামাজরত অবস্থায় গলায় ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থা থেকে স্থানীয় শামলাপুর হাসপাতাল ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মনোয়ারা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনা ঘটার পর, রক্তমাখা ওই অস্ত্রটি সেখানে রেখে পালিয়ে যায় ছেনুয়ারা, কিন্তু এলাকা বাসীরা তাকে ধরে ফেলেন। পুলিশ যখন তার জিজ্ঞাসাবাদ করে, তখন তিনি শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছি। আটক আসামি ছেনুয়ারা বেগমকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’ এখন নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনাটি তদন্তে রয়েছে। এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের খবরে পুরো এলাকায় গভীর শোক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ট্রাজিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ গভীর উদ্বেগে ভুগছে এবং পারিবারিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।











