দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার সময় নারী কর্মীদের ওপর চালানো হামলা, হেনস্তা ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে নির্ধারিত বিশেষ সমাবেশটি স্থগিত করে দিয়েছে জামায়াতের মহিলা শাখা। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে দলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘অপরিহার্য কারণবশত’ এই মহিলা সমাবেশটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে,
দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার সময় নারী কর্মীদের ওপর চালানো হামলা, হেনস্তা ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে নির্ধারিত বিশেষ সমাবেশটি স্থগিত করে দিয়েছে জামায়াতের মহিলা শাখা। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে দলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘অপরিহার্য কারণবশত’ এই মহিলা সমাবেশটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে, কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি), রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই সমাবেশের আহ্বান জানান। তিনি বলেছিলেন, আগামী শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের অভিযোগ করেন যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে জামায়াতের নারী কর্মীরা যখন মাঠে কাজ করছেন, তখন বিভিন্ন স্থানে তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা ও শারীরিক হেনস্তা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই সমাবেশটি সম্ভবত প্রথমবারের মতো জামায়াতের নারী সংগঠনের কর্মীরা প্রকৃতির গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রকাশ্যে রাজপথে প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নির্বাচনী উত্তেজনাময় পরিবেশের মধ্যে এই বড় ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচির স্থগিত হওয়ায় রাজনীতিবিদদের মাঝে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশলগত কারণগুলি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে এই সমাবেশ আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, ভবিষ্যতে নতুন তারিখ ঘোষণা হবে কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত করে বলেনি জামায়াতের মহিলা শাখা।
প্রচার অভিযান শেষের মুহূর্তে এই স্থগিতাদেশে ক্ষোভ ও দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে মোটামুটি মাঠ পর্যায়ে। মূলত নিরাপত্তা পরিবেশ ও নির্বাচনী পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেই শীর্ষ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।











