বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম শুধু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধিতা করেনি, বরং তারা ইতিহাসে প্রকাশ পেয়েছে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানেরও বিরোধিতা করেছিল। তারা পাকিস্তান গড়ে উঠতে চায়নি এবং বাংলাদেশকেও আলাদা করে সত্যিই চায়নি। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া বাজারে এক নির্বাচনী গণসমাবেশে তিনি
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম শুধু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধিতা করেনি, বরং তারা ইতিহাসে প্রকাশ পেয়েছে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানেরও বিরোধিতা করেছিল। তারা পাকিস্তান গড়ে উঠতে চায়নি এবং বাংলাদেশকেও আলাদা করে সত্যিই চায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া বাজারে এক নির্বাচনী গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অনেক মানুষ এই সত্যটি জানেন না, কারণ এসম্পর্কে বইপত্রে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। যারা বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন, তারা কি এই দেশে নিরাপদে থাকতে পারবেন? যদি তারা ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে?
তিনি মন্তব্য করেন, যারা অতীতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছিল এবং এখনো সেই পুরোনো ভূমিকা থেকে বেরিয়ে আসেনি, তাদের ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারও দেখানোর মতো নয়। এ ধরনের দলের পাশে থাকা বা তাদের সমর্থন দেওয়া কখনোই উচিত নয়। একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে, সততা ও ন্যায়ের পথে চলা জরুরি।
স্থানীয় উন্নয়নের প্রশ্নে বিএনপির মহাসচিব বলেন, একটি এলাকা তখনই উন্নত হয় যখন সেখানে সৎ, দেশপ্রেমিক ও ভালো নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। যদি যোগ্য নেতৃত্ব থাকে, তবে উন্নয়নের পথ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রশস্ত হবে এবং এলাকার সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।











