বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) উদ্বোধন করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা আরও সুসংহত ও কার্যকরী হয়ে উঠেছে। গতকাল তিনি টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর আওতাধীন সেন্টমার্টিন বিওপি এবং লেঙ্গুরবিলের নবনির্মিত ‘সী-বিচ বিওপি’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) উদ্বোধন করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা আরও সুসংহত ও কার্যকরী হয়ে উঠেছে। গতকাল তিনি টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর আওতাধীন সেন্টমার্টিন বিওপি এবং লেঙ্গুরবিলের নবনির্মিত ‘সী-বিচ বিওপি’ এর উদ্বোধন করেন, যা সীমান্ত রক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এক আনুষ্ঠানিক সফরে তিনি এই আধুনিক স্থাপনাগুলোর উদ্বোধন করেছিলেন।
সেন্টমার্টিনের নতুন বিওপি উদ্বোধনের মাধ্যমে দ্বীপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অধিকতর শক্তিশালী ও দড়ি হয়ে উঠেছে। এখানে বিজিবি সদস্যদের জন্য আধুনিক সুবিধা সম্বলিত সৈনিক লাইনের স্থান নির্মিত হয়েছে, যা সীমান্তে দায়িত্বরত সদস্যদের নিরাপত্তা, মনোবল এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত এই দ্বীপের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর ওপর। এরপর দায়িত্ব বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের হাতে চলে আসে, কিন্তু দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা ও সীমান্তের প্রাধান্য বিবেচনায় ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল আবারও বিজিবি এই দ্বীপের দায়িত্ব নেয়। বর্তমানে উদ্বোধন করা এই বিওপি দ্বীপের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিজিবির কার্যক্রমের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশের প্রতীক বলে ধরা হয়।
সেন্টমার্টিন সফর শেষে মহাপরিচালক টেকনাফের লেঙ্গুরবিল এলাকায় নবনির্মিত ‘সী-বিচ বিওপি’ উদ্বোধন করেন। অত্যাধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী যুক্ত এই ভবনটি স্থানীয় নিরাপত্তা ও মনোবল বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। বিজিবির সদর দপ্তর জানিয়েছে, এই নতুন বিওপি সীমান্তের সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং সেখানে stationed সদস্যদের কার্যক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অতিরিক্ত, এই অঞ্চলটির ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ বিজিবির নজরদারি ক্ষমতাকে আরও জোরদার করবে।
বিজিবি মহাপরিচালক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সীমান্ত সুরক্ষা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবির সদস্যদের সর্বদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার কারণে সদস্যরা তাদের দায়িত্ব আরও উৎসাহে পালন করতে পারবেন। বিশেষ করে, সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ সীমান্তে মাদক পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে এই আধুনিক বিওপিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ইউনিটের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মূলত সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে ও বাহিনীকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তুলতে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্তের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।











