দুর্নীতির অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার যুবলীগের প্রধানের

দুর্নীতির অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার যুবলীগের প্রধানের

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি অতীতে প্রমাণ করেছে যে, এই দলের কাছেই সম্ভব দুর্নীতির নিরপেক্ষ ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ। তিনি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। দেশের মানুষের জন্য এটি আমাদের অঙ্গীকার। গত রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি অতীতে প্রমাণ করেছে যে, এই দলের কাছেই সম্ভব দুর্নীতির নিরপেক্ষ ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ। তিনি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। দেশের মানুষের জন্য এটি আমাদের অঙ্গীকার। গত রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিগত সময়ে যখন বিএনপি সরকারের অধীনে ছিল, তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি দেশের উন্নয়নের জন্য শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করেছেন। এর পাশাপাশি, তিনি স্বীকার করেন, বর্তমানে দলের অনেক নেতাকর্মী অনৈতিক কাজে জড়িত থাকলেও, বিএনপি তাদের কোনও ছাড় দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, আজ যদি দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপির পাশ থেকে সাহসী সঙ্গ দিতো, তাহলে ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আমরা দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবো। যেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করতে পারে, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নত হয়।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে যখন তিনি দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তখন ধীরে ধীরে দুর্নীতির মহামারী থেকে দেশকে বের করে আনেন। তিনি বললেন, আইন সবার জন্য সমান। অন্য কোনও দল বা ব্যক্তির দ্বারা অপরাধ সংঘটিত হলেও তার বিচার আইন অনুযায়ী হবে, কেউই কোনো বিশেষ সুবিধা পাবেন না। দুর্নীতির যেই করুক, তাদের বিরুদ্ধে দেশের আইন একরকমভাবে প্রযোজ্য হবে।

তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যেন সকল ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকেন।

তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামের সমতল ও পাহাড়ি অঞ্চলবাসীরা একসাথে বসবাস করে। সবাইকে নিয়ে সমাজ থেকে উন্নত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তিনি তাদের প্রতি আস্থা ব্যক্ত করেন। তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি দেশের ত্রাণবাসীর আস্থা ধরে রাখার জন্য উত্সাহ দেন।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান এর আগে ২০০৫ সালের ৬ মে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে জনসভা করেছিলেন, তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এবার তিনি দলের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় ধাপে চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেন। এই পরিকল্পনা নিয়ে তিনি সিলেটের পরে গত বৃহস্পতিবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় জনসভা করেন। সেখানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলার বিএনপি প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা মঞ্চে ছিলেন দলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী ও প্রার্থী। মঞ্চের প্রথম সারিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতারা, প্রার্থীরা ও স্থানীয় নেতারা। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ড ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে অংশ নেন।

নির্বাচনী মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পলোগ্রাউন্ড মাঠে ব্যাপক উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছিল। সকাল থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন, অসংখ্য মিছিল নিয়ে আনন্দ ও উৎসাহের সাথে যোগ দেন বিভিন্ন ওয়ার্ড ও জেলা থেকেও। এই জনসভা সমগ্র শহরে রাজনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে দেয়, যা দলের দীর্ঘস্থবিরতা কাটানোর জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos