গভর্নর বললেন, দেশে ১০-১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট

গভর্নর বললেন, দেশে ১০-১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে কেবল দুটিতে নামিয়ে আনা হবে, বাকিগুলো একীভূত বা মার্জ করার লক্ষ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এসব কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তবতা অনুযায়ী দেশে এখনকার তুলনায় কেবল ১০ থেকে ১৫টির ব্যাংক থাকলেও যথেষ্ট ছিল, কিন্তু বর্তমানে দেশের ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪। অতিরিক্ত ব্যাংক থাকায়

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে কেবল দুটিতে নামিয়ে আনা হবে, বাকিগুলো একীভূত বা মার্জ করার লক্ষ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এসব কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তবতা অনুযায়ী দেশে এখনকার তুলনায় কেবল ১০ থেকে ১৫টির ব্যাংক থাকলেও যথেষ্ট ছিল, কিন্তু বর্তমানে দেশের ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪। অতিরিক্ত ব্যাংক থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা ও খরচ বেড়ে গেছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমালে খরচ কমবে এবং লাভের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. মনসুর। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ অংশগ্রহণ করে। তিনি আরও বলেন, গভর্নেন্সের ব্যর্থতা ও চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের অভাবে ব্যাংক খাত থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত পাচার হয়েছে। অবৈধভাবে ব্যক্তিগত ও সরকারি নির্দেশে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের স্বচ্ছতা ভেঙে পড়েছে। ব্যাংকগুলোতে নিয়ন্ত্রণের অভাব, গভর্নেন্সের সমস্যা এবং ব্যক্তিদের আধিপত্যের কারণে এই দুর্দশা সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইসলামী ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির হাতে নিয়ন্ত্রণে থাকায় বা একত্রিত হয়ে কাজ না করে, চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স না থাকায়, দেশের অর্থনীতি থেকে তিন লাখ কোটি টাকা চলে গেছে। তিনি আরও বলছেন, পৃথিবীর চারটি মূল অর্থনৈতিক খাতের মধ্যে ব্যাংকিং খাত তৃতীয় স্থানে থাকলেও, বাংলাদেশে এটি প্রথমে yüksি করেছে। ফলে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতির মুখে। এই পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কঠোর কাজের প্রয়োজন। সিঙ্গাপুরের এক ব্যাংকের আয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সব ব্যাংকের মোট আয় সমান বলে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়াও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান গর্ভনর খুব কঠোর পরিশ্রম করে ব্যাংকিং খাতের ক্ষত সারানোর চেষ্টা করছেন। ব্যাংকিং খাতের অবস্থা খুবই নাজুক, তবে বিভিন্ন কলাকৌশলে এটাকে ঠিক করার চেষ্টা চলমান। এই ধীরে ধীরে ইতিবাচক অগ্রগতি আশা করা যায়। অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos