শরিয়াহ আইনের বিরোধিতা করে জামায়াতের কঠোর সমালোচনা

শরিয়াহ আইনের বিরোধিতা করে জামায়াতের কঠোর সমালোচনা

জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না বলে স্পষ্টভাবে জানানোর পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। আয়োজনের মধ্যে দেখা গেছে, দলটির নেতা ও আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তারা জামায়াতের বক্তব্য শুনে সন্তুষ্ট হয়েছেন। তারা বলছেন, যদি মহান সৃষ্টিকর্তা এই দেশের

জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না বলে স্পষ্টভাবে জানানোর পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। আয়োজনের মধ্যে দেখা গেছে, দলটির নেতা ও আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তারা জামায়াতের বক্তব্য শুনে সন্তুষ্ট হয়েছেন। তারা বলছেন, যদি মহান সৃষ্টিকর্তা এই দেশের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেন, তবে জামায়াত শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না। এই বক্তব্যের মাধ্যমে দলটির নেতারা তাদের নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন করছে কি না, তা এখন বিতর্কের বিষয়। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের তথ্য প্রকাশ কৌশলগত চাল হতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলছেন, জামায়াতের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের সমাবেশে নেতারা সাধারণ মানুষের কথা বলছিলেন, যা আগে দেখা যায়নি। পাশাপাশি, এই নির্বাচনে জামায়াত দুটি হিন্দু প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর ফলে মনে হচ্ছে, দলটি এখন আরও নমনীয় ও গণতান্ত্রিক ধ্যানধারণায় ব্যাপৃত। শরিয়াহ আইন কার্যকর করতে চান না বলে দলের নেতাদের বক্তব্য থাকলেও, দলের কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান আকন্দ জানিয়েছেন, তারা জনগণের মতামত ও আইনের মধ্যে থেকে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, জাতীয় সংবিধান ও বিদ্যমান আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। একদিকে, জামায়াতের গঠনতন্ত্রে মূল লক্ষ্য ছিল ইসলাম কায়েমের প্রচেষ্টা, তবে ২০১৩ সালে ডেপো গঠনতন্ত্রের সাংঘর্ষিকতা থাকার কারণে হাইকোর্ট দলটির নিবন্ধন বাতিল করে। এরপর তারা আপিল করে পুনরায় স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত শক্তিশালীভাবে ফিরে এসেছে, যদিও এখনো পর্যন্ত কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। দলটি বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের প্রতিনিধিদের নিয়ে ভোটে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, তবে নারীদের জন্য কোনো বিশেষ উদ্যোগ দেখা যায়নি। এর আগে, জামায়াতের আমির নারীর কর্মঘণ্টা কমানোর প্রস্তাব সমালোচনার মুখে পড়েছিল। এখন দেখার বিষয়, তারা কিভাবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে ও নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি আনবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos