রাশিয়ায় ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া

রাশিয়ায় ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারি বাসভবনে ড্রোন হামলার জবাবে গত রাতে ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত চালিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। শনিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্স। বিবৃতিতে জানানো হয়, এই হামলা হয়েছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভের উপর। বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার পাল্টা ভেবে, এই ‘ওরেশনিক’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারি বাসভবনে ড্রোন হামলার জবাবে গত রাতে ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত চালিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। শনিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্স।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এই হামলা হয়েছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভের উপর। বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার পাল্টা ভেবে, এই ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই আঘাতের লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের সামরিক ড্রোন নির্মাণ কেন্দ্র ও মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স। তারা বলেছে, এই হামলা সফলভাবে পৌঁছে গেছে এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। রাশিয়া আরও জানায়, ইউক্রেনের সন্ত্রাসী সরকারের এসব কর্মকাণ্ডের জন্য উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

এর আগে ২৯ ডিসেম্বর, রাশিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের নভগোরোদ প্রদেশে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় বাহিনী ৯১টি বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন নিক্ষেপ করে। তবে রুশ সেনারা দাবি করে, বেশিরভাগ ড্রোনই লক্ষ্যভেদ হওয়া থেকে আগে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

অপরদিকে, লভিভের মেয়র আন্দ্রি সাদোভয় এক বিবৃতিতে জানান, শহরের বিভিন্ন অবকাঠামো রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে ক্ষতির বিস্তারিত এখনও জানানো হয়নি।

রুশ সামরিক বাহিনীর নতুন প্রজন্মের এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ‘ওরেশনিক’, যার অর্থ বাংলায় ‘হ্যাজেল গাছ’। মাঝারি আকারের ঝোপঝাড়ের মতো গঠন ও বিস্ফোরণের ধরনে এই ক্ষেপণাস্ত্রের নামকরণ করা হয়েছে।

ওরেশনিক মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা সর্বোচ্চ ৫ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও এটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র নয়, তবে এর গতি এতটাই দ্রুত যে, রাশিয়া দাবি করে—শব্দের গতি থেকে ১১ গুণ বেশি। বর্তমানে বিশ্বে এমন কোনো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নেই, যা এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারবে।

অতিরিক্তভাবে, ওরেশনিক পারমাণবিক বিস্ফোরক বহন করার ক্ষমতাও রাখে, ফলে প্রয়োজনে এটি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রে রূপান্তর করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, রুশ বাহিনী প্রথমবারের মতো ২০২৪ সালের ২২ নভেম্বর এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করে। তা নিয়ে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এই শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহৃত হলো।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos