ইউট্যাবের জিয়ারত ও ফুলেল শ্রদ্ধা জানালো জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

ইউট্যাবের জিয়ারত ও ফুলেল শ্রদ্ধা জানালো জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে আজ তীর্থক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত জিয়া উদ্যানের কবরস্থানে গিয়ে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। এই প্রীতি ও শ্রদ্ধা জানানো কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেছেন। শনিবার, ৯ জানুয়ারি, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যান এই কর্মসূচির

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে আজ তীর্থক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত জিয়া উদ্যানের কবরস্থানে গিয়ে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। এই প্রীতি ও শ্রদ্ধা জানানো কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেছেন।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যান এই কর্মসূচির জন্য আয়োজন করে। এই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় ঐক্যের অবিনাশী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ পরপারে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির জন্য তিনি অনেক কিছু করেছেন। তিনি তার স্বামী, সন্তান, বাড়ি ও সম্পদ হারিয়েছেন। জেলখানা ও চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে গেছেন। তার অবিচল দেশপ্রেম ও পরিবর্তনের সংগ্রামে তিনি স্বয়ং দেশপ্রেমের প্রতীক। তিনি কেবল বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এই মহীয়সী নেত্রীর চলে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি দেশের জন্য সবকিছু করেছেন, তার স্বজনদের ব্যথা কেউ ফিরিয়ে দিতে পারেন না। তিনি দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর এই দেশপ্রেমিক অবদান ভুলে যাওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম চালিয়েছেন। আজকের উচ্চতম শিখরে পৌঁছে গেছেন, কিন্তু তার সুপ্রতিষ্ঠিত আদর্শ ও স্বপ্নের দেশের বাস্তবায়ন দেখতে পারেননি। এটি আমাদের জন্য বড় কষ্টের।

প্রথমবারের মতো এই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ইউট্যাব আশা করছে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে উচ্চস্থান দান করবেন। তারা প্রার্থনা করছে, যেন তার স্বপ্নের বাংলাদেশ সুস্থ ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয়, এবং ভবিষ্যতে আর কোন ফ্যাসিবাদ বা অশুভ শক্তির উত্থান না হয়।

অন্যদিকে, ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, ২০১২ সালে নিজ হাতে সিগনেচার করে সংগঠনটির অনুমোদন দিয়েছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। তখন থেকেই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী একটি শক্তিশালী শিক্ষকদের সংগঠন গড়ে তোলার জন্য তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল একটি জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া। সেই জন্যই তিনি ২০১২ সালে এই সংগঠনের অনুমোদন দেন এবং যাত্রা শুরু হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos