পূর্ব জেরুজালেমে ৩ হাজার নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের ঘোষণা

পূর্ব জেরুজালেমে ৩ হাজার নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের ঘোষণা

প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদিদের জন্য ৩ হাজার ৪০১টি নতুন বাড়ির নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি সরকারের সাধারণ সম্পাদক ওয়াল অ্যান্ড সেটলমেন্ট কমিশনের প্রধান মুআয়াদ শাবান। বুধবার ৭ জানুয়ারি এই তথ্য জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে টেন্ডার বা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ই-ওয়ান’ এলাকায়

প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদিদের জন্য ৩ হাজার ৪০১টি নতুন বাড়ির নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি সরকারের সাধারণ সম্পাদক ওয়াল অ্যান্ড সেটলমেন্ট কমিশনের প্রধান মুআয়াদ শাবান। বুধবার ৭ জানুয়ারি এই তথ্য জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে টেন্ডার বা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ই-ওয়ান’ এলাকায় বাস্তবায়িত হবে। এই এলাকাটি ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড থেকে পশ্চিম তীরের ‘মারে আদুমিম’ শহরের সংযোগ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নতুন বসতি স্থাপনা হলে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখল আরও পাকাপোক্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে, যা স্থানীয় ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটলমেন্ট কমিশনের প্রধান শাবান বলছেন, এই প্রকল্পটি ২০২৫ সালের আগস্টে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়। তবে, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই ধরনের সম্প্রসারণ বন্ধ ছিল, কিন্তু গাজায় চলমান সংঘর্ষের ফলে ইসরায়েল আবার এই কার্যক্রম আরম্ভ করছে। শাবানের মতে, মূল উদ্দেশ্য হলো পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পশ্চিম জেরুজালেমের সঙ্গে যুক্ত করা এবং ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার বৃদ্ধিকে বাধা দেওয়া। ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ গাজা, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দিলেও, ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল এই শহর দখল করে নেয়। বর্তমানে গাজা যুদ্ধের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইসরায়েল দ্রুতবলে বসতি নির্মাণে এগিয়ে গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে অর্থাৎ আগামী বছরেই ১০,৯৮টি বাড়ির জন্য টেন্ডার পাস করেছে। এই নতুন প্রকল্প স্বীকৃত দুই রাষ্ট্রের সমাধান নীতির জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে, যেহেতু এগুলো আন্তর্জাতিক বিরোধিতা অর্জন করছে। এই কার্যক্রম মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে এবং ফিলিস্তিনিরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos