নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে ভ্যাট রিফান্ড চালু করল এনবিআর

নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে ভ্যাট রিফান্ড চালু করল এনবিআর

করদাতাদের ভোগান্তি কমাতে এনবিআর অনলাইনে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভ্যাট রিফান্ডের সুবিধা শুরু করেছে। এখন থেকে ভ্যাটের পেন্ডিং অর্থ দ্রুত এবং সহজে পাওয়া যাবে, করদাতাদের আর সশরীরে অফিসে যেতে হবে না। বুধবার ৭ জানুয়ারি এনবিআর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন উদ্যোগের তথ্য প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভ্যাট রিফান্ডের জটিল ও মনোসন্নপ্রিয়

করদাতাদের ভোগান্তি কমাতে এনবিআর অনলাইনে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভ্যাট রিফান্ডের সুবিধা শুরু করেছে। এখন থেকে ভ্যাটের পেন্ডিং অর্থ দ্রুত এবং সহজে পাওয়া যাবে, করদাতাদের আর সশরীরে অফিসে যেতে হবে না। বুধবার ৭ জানুয়ারি এনবিআর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন উদ্যোগের তথ্য প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভ্যাট রিফান্ডের জটিল ও মনোসন্নপ্রিয় প্রসেসকে সহজীকরণ এবং স্বচ্ছ করার জন্য এনবিআর একটি স্বয়ংক্রিয়, অটোমেটেড পদ্ধতি চালু করেছে। এর জন্য ‘e-VAT’ সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন ‘রিফান্ড মডিউল’, যা অর্থ বিভাগের (iBAS++) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের BEFTN নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত। এর ফলে, করদাতার পেন্ডিং টাকা সরাসরি তার নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।

নতুন এই পদ্ধতিতে, করদাতারা মাসিক ভ্যাট রিটার্নের মাধ্যমে অনলাইনে সহজে রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনটি সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিলে কালক্ষেপ না করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। বুধবারের অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এই নতুন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আবদুর রহমান খান বলেন, এই নতুন ইলেকট্রনিক রিফান্ড ব্যবস্থা পুরনো ম্যানুয়াল পদ্ধতির মতোই কাজ করবে, তবে এটি আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ। তিনি আপাতত যদি প্রয়োজন হয় তা আরও আরও সহজ করার জন্য আইন সংশোধনের কথা বলেন।

প্রশ্নে ইয়েকী করা হয় নি, তবে সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভ্যাট ও আয়কর রিফান্ডের জন্য বাকি রয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ভ্যাটের রিফান্ডের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মতো। তিনি আরো বলেন, রিফান্ডে কোনো ভোগান্তি থাকা মানে সরকারের আয়ও কমে যায়, তাই যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চান। তিনি বলিঃ ট্যাক্সপেয়ারদের এটি ন্যায্য পাওনা। কারণ তারা আইনত এই অর্থ পায় এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে পড়ে থাকে। এই টাকা কেবল সুদ ছাড়া ফিরিয়ে দেওয়া হয়, আর গ্রাহকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয় না।

অর্থবছরে এনবিআর যদি ৪ লাখ কোটি টাকা আয় করে, তাহলে এই ৪ার কোটি টাকাও দেওয়া কোনও অসুবিধার ব্যাপার হবে না বলে উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ঢাকার তিনটি ভ্যাট কমিশনারেটের তিনজন করদাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ফেরত দেন। অনুষ্ঠানে করদাতাদের বিশ্বাসীরা ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

এনবিআর জানায়, এই মডিউল চালুর ফলে রিফান্ডের প্রক্রিয়া হবে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত এবং ঝামেলামুক্ত। আবেদন করার সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটা নিজ গৃহে বসেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য বা কোনো প্রশ্নের জন্য সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এনবিআর আশা করছে, এই ডিজিটাল কর ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে, আর করদাতারা এই উদ্যোগের সঙ্গে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos