রায়েরবাজারে অজ্ঞাত শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন উপদেষ্টা জটিলতা কাটিয়ে পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ

রায়েরবাজারে অজ্ঞাত শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন উপদেষ্টা জটিলতা কাটিয়ে পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ

রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে শায়িত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা। এ স্মরণসভায় শহীদদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের কর্মসূচি চালানো হয়। তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ইতোমধ্যে ২০২৪ সালের এই গণঅভ্যুত্থানে নিহত আট শহীদদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশের জন্য পরিচয় নিশ্চিত

রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে শায়িত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা। এ স্মরণসভায় শহীদদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের কর্মসূচি চালানো হয়। তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ইতোমধ্যে ২০২৪ সালের এই গণঅভ্যুত্থানে নিহত আট শহীদদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশের জন্য পরিচয় নিশ্চিত করেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে আয়োজিত এই বিশেষ আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন সিআইডি, যেখানে শহীদদের পরিবারের সম্মাননা জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক আজম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নিহত অনেক নারী ও পুরুষের মরদেহ অজ্ঞাত পরিচয়ে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। শহীদদের স্বজনদের পরিচয় জানা এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এই সরকারের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা যোগদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। তিনি জানিয়ে দেন, দীর্ঘ পরীক্ষাগার বিশ্লেষণের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে আটজন শহীদের পরিচয় শনাক্তে সফলতা এসেছে। এতে পরিবারের সদস্যরা অন্তত এই তথ্য জানতে পারছেন যে, তাদের প্রিয়জনের কি ঘটেছে বা তারা কোথায় শায়িত রয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শহীদদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তখন অজ্ঞাত পরিচয়ে অনেক নিহত ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রের মানবিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে সেই মৃতদেহের পরিচয় তুলে আনাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ায় সিআইডি’র ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিকেল টিমগুলো ছিল পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্বের অংশ, এবং এ কাজের মাধ্যমে তারা শহীদ পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos