রাজধানীতে উদ্বোধন হলো বুয়েট উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই-রিকশার শুরু

রাজধানীতে উদ্বোধন হলো বুয়েট উদ্ভাবিত পরিবেশবান্ধব ই-রিকশার শুরু

ঢাকা শহরের যানবাহন পরিচালনায় শৃঙ্খলা ও পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত তিন চাকার ই-রিকশা ব্যবস্থার পাইলট প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে ঢাকাসśl উত্তরা এবং দক্ষিণের জিগাতলার এলাকায় পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুরু হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার ব্যাটারি চালিত অচিন্ত্য রিকশাগুলোর একত্রে নিয়ন্ত্রণ ও মানোন্নয়ন

ঢাকা শহরের যানবাহন পরিচালনায় শৃঙ্খলা ও পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উদ্ভাবিত তিন চাকার ই-রিকশা ব্যবস্থার পাইলট প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে ঢাকাসśl উত্তরা এবং দক্ষিণের জিগাতলার এলাকায় পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুরু হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার ব্যাটারি চালিত অচিন্ত্য রিকশাগুলোর একত্রে নিয়ন্ত্রণ ও মানোন্নয়ন সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নতুন এই ই-রিকশা আধুনিক ও নিরাপদ হিসেবে পরিচিত। বুয়েটের প্রকৌশলীদের তৈরি নকশায় উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম এবং কার্যকর গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। পরিবেশের বিষয়টি মাথায় রেখে ৩৮ ভোল্টের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়েছে, যা একবার চার্জে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ চালাতে সক্ষম। পাইলটিং পর্যায়ে এই রিকশাগুলোর ব্রেকিং ক্ষমতা, যাত্রীর আরাম এবং চালকের নিয়ন্ত্রণ সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকার বাস্তব পরিস্থিতিতে যানবাহনের নিরাপত্তা ও তার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই, এবং এই প্রকল্পের সফলতায় ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ই-রিকশাগুলো জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত এলাকায় বা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বা ঢাকানগরীর বাইরে রিকশাগুলো প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া, ডিএমপি এর মাধ্যমে প্রতিটি এলাকার রিকশার সংখ্যা নির্ধারিত হবে। ঢাকার যানচলাচলকে ডিজিটাল করে তোলার এ উদ্যোগে স্মার্ট প্রযুক্তির সংযোগ ঘটানো হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো ধাপে ধাপে সব অবৈধ ব্যাটারি ও প্যাডেল চালিত রিকশাকে এই আধুনিক ই-রিকশায় রূপান্তর করা।

নিরাপত্তা বাড়াতে রিকশাচালকদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকার উত্তরা ও দক্ষিণের প্রায় ২৪ হাজার চালক প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স পেয়েছেন। দুই বিভাগীয় প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ ও মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত চালকরা নির্ধারিত এলাকায় এই যানবাহন পরিচালনা করতে পারবেন। শুরুতে আফতাবনগর ও ধানমণ্ডি এলাকায় নতুন এই ই-রিকশা ও রূপান্তরিত রিকশার চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এবং মতিঝিলেও সেটির কার্যক্রম শুরু হবে। সরকারের আশা, এই পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে পুরো ঢাকা মহানগরীতে এই পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ঘটানো হবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos