ডা. জাহিদ বললেন, খালেদা জিয়া আমাদের মাতৃস্নেহে দেখতেন

ডা. জাহিদ বললেন, খালেদা জিয়া আমাদের মাতৃস্নেহে দেখতেন

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াদের অকাল প্রয়াণে তাঁর জীবন ও ব্যক্তিত্বের মানবিক দিকগুলো তুলে ধরে এক আবেগমাখা স্মৃতিচারণ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথাগুলো বলেন। ডা.

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াদের অকাল প্রয়াণে তাঁর জীবন ও ব্যক্তিত্বের মানবিক দিকগুলো তুলে ধরে এক আবেগমাখা স্মৃতিচারণ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথাগুলো বলেন। ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন একজন গর্ভধারিণী মা থেকে কম কিছু না। তাঁর কাছে নিজের কর্মী-সমর্থকদের প্রতি ছিল বিশাল মমতা এবং গভীর অস্তিত্বের স্পর্শ। তিনি স্মরণ করেন, খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা ছিল অমেয়; তাঁকের বাসভবনে গিয়ে কখনো খাবার না খেয়ে কেউ ফিরে যাননি, এমনটা কখনোই ঘটত না। ডা. জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়া সবসময় দেশের স্বার্থে চিন্তা করতেন। তিনি ছিলেন একজন জনবান্ধব নেত্রী, জনতার ভোগান্তি লাঘবে আপ্রাণ চেষ্টা করতেন এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের কষ্ট দিতেন না। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসকদের প্রতি তাঁর অগাধ আস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, শরীরের অবস্থা যতই জটিল হোক না কেন, তিনি সব সময় চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করতেন এবং তাঁদের নির্দেশনা অনুসরণ করে চলতেন। তাঁর জীবনভর এই ধৈর্য ও সহযোগিতা চিকিৎসকদের মুগ্ধ করেছে। উল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত নানা স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায়—লিভার সিরোসিস, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতা—এক দীর্ঘ রোগভোগের পর মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, এরপর দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতার মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তাঁর এই অকাল বিদায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক যুগের অবসান ঘটালো। শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো দেশজুড়ে। তাঁর মরদেহ বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে এবং দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি চলছে তাঁর পরিবার ও দল কর্তৃক।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos