সালাহউদ্দিনের পথসভায় ব্যাপক জনসমুদ্রে হাজিরা

সালাহউদ্দিনের পথসভায় ব্যাপক জনসমুদ্রে হাজিরা

দীর্ঘ নয় বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ফিরে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ব্যাপক উত্তেজনা ও সাড়া সৃষ্টি করেছেন। গত ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া তার পাঁচ দিনের গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা কার্যত জনস্রোত হিসেবে পরিণত হয়েছে। প্রিয় নেতা নিজেকে কাছে পেয়ে গ্রাহ্য করে আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা, এবং প্রতিটি

দীর্ঘ নয় বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ফিরে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ব্যাপক উত্তেজনা ও সাড়া সৃষ্টি করেছেন। গত ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া তার পাঁচ দিনের গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা কার্যত জনস্রোত হিসেবে পরিণত হয়েছে। প্রিয় নেতা নিজেকে কাছে পেয়ে গ্রাহ্য করে আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা, এবং প্রতিটি পথসভা পরিণত হয়েছে বিশাল জনসমাবেশে।

পাঁচ দিন ধরে তিনি চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে বিরামহীনভাবে গণসংযোগ চালিয়ে গেছেন। খুটাখালী, ডুলাহাজারা, ফাঁশিয়াখালী, মগনামা, বদরখালী, হারবাং-সহ বিভিন্ন জনপদে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। এ সময় তিনি মোট ৩০টি পথসভা ও নারী ও সনাতনী সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন।

প্রচারণাকালে সালাহউদ্দিন আহমদ এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে, গভীর সমুদ্রবন্দর কেন্দ্র করে চকরিয়া-পেকুয়া ও উপকূলীয় অঞ্চলকে একটি আধুনিক ‘বিজনেস হাব’ হিসেবে রূপান্তরিত করা হবে। এর পাশাপাশি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আনোয়ারা-পেকুয়া-বদরখালী সড়ককে চার লেনে উন্নীত করতে এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নত করার পরিকল্পনা তিনি শেয়ার করেন। এগুলোর পাশাপাশি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, আইসিটি সুবিধা বৃদ্ধি ও নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন।

এবারের গণসংযোগে নারীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ বদরি জানান, অনেক সমাবেশে পুরুষের চেয়ে নারীদের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। গণসংযোগের সময়ে এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটেছে। একজন শতবর্ষী বৃদ্ধা সালাহউদ্দিন আহমদকে দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন শুনে তিনি গাড়ি থামিয়ে যান এবং ওই বৃদ্ধার গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দোয়া করেন।

স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। চকরিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জুবাইদুল হক বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ তার রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও পরিপক্বতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি শুধু কক্সবাজারের নয়, বরং একটি জাতীয় পর্যায়ের নেতা। অন্যদিকে বদরখালী কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান উল্লেখ করেন, অতীতে এমপি ও প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে তিনি এই অঞ্চলকে উন্নয়নের মাধ্যমে ৫০ বছর এগিয়ে এনেছেন। দলমত নির্বিশেষে স্থানীয় মানুষের কাছে সালাহউদ্দিনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, তার কোনও বিকল্প নেই।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos