ব্রিটেনের বহুমুখী সংকটের মুখে ব্যস্ত সময়

ব্রিটেনের বহুমুখী সংকটের মুখে ব্যস্ত সময়

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের পরিস্থিতি এমন এক চিত্র তুলে ধরেছে যা দেশটির অর্থনৈতিক, ভূ-রাজনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে গভীর সংকটের संकेत দেয়। উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও রাজনীতিতে থাকা এই চ্যালেঞ্জগুলো দেশকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের পরিস্থিতি এমন এক চিত্র তুলে ধরেছে যা দেশটির অর্থনৈতিক, ভূ-রাজনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে গভীর সংকটের संकेत দেয়। উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও রাজনীতিতে থাকা এই চ্যালেঞ্জগুলো দেশকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে রিপোর্টে দেখা গেছে। অফিস ফর স্টুডেন্টসের (ওএফএস) প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, বছরে ফি বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমে যাওয়া আর বাজেটের কঠিন বাস্তবতা এই সংকটের মূল কারণ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এখন উচ্চ ফিরের উপর নির্ভরশীল থাকায় বহু প্রতিষ্ঠান কঠিন আর্থিক সমস্যায় পড়েছে; অনেক বিশ্ববিদ্যালয় হঠাৎ করেই কর্মী ছাঁটাই, কোর্স কমানো এবং একীভূত হওয়ার পথে এগোচ্ছে। ব্রিটিশ শিক্ষা বিভাগ এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় টিউশন ফি সীমা নির্ধারণের ঘোষণা দিলেও, সংকট গভীরতর। অন্যদিকে, দেশটির নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও বড় ধাক্কা লেগেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রতিরক্ষা তহবিলে যোগদান নিয়ে আলোচনায় ব্যর্থতা ব্রিটেনের জন্য বড় একটা হতাশা সৃষ্টি করেছে। এই তহবিলের জন্য যোগদানের জন্য ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলি বিবেচনা করলেও, যুক্তরাজ্য অনেক কম অর্থ দিতেই চাচ্ছে। এর ফলে ব্রাসেলসের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনা অথবা টানাপোড়েন নতুন মাত্রায় পৌঁছে গেছে। এতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ব্রিটেনের ভূমিকা সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে, প্রাক্তন লেবার নেতা জেরেমি করবিনের নেতৃত্বে ‘ইওর পার্টি’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন হয়েছে। দলটি মূলত বামপন্থি বিকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, তবে ভিতরে ভাঙন ও বিভাজনের কাহিনীও রয়েছে। এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার বলে দাবি করা হলেও, দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও নীতিগত মতভেদের কারণে এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই তিনটি সংকট ব্রিটেনকে একটি জটিল মোড়ে পৌঁছে দিয়েছে। শিক্ষা, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দিক থেকে এগুলোর সঙ্গে দেশ কিভাবে সামঞ্জস্য রাখবে, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে স্টারমার সরকার এর প্রত্যেকটি চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় কেমন পদক্ষেপ নেয়, তা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos